
তিনি জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় অভ্যন্তরীণ তদন্ত শেষে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে গত বুধবার গোলাম রাব্বানীকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তার সঙ্গে মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
অভিযোগে বলা হয়, গোলাম রাব্বানী বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নারী শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ ও চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন করতেন। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা গত ৭ অক্টোবর আমানা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মাছরাঙ্গা টেলিভিশন কর্তৃপক্ষ এবং বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।
পরবর্তীতে মাছরাঙ্গা টেলিভিশন কর্তৃপক্ষ নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় তদন্ত চালিয়ে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়।
এদিকে, একই অভিযোগে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মিডিয়া অ্যাডভাইজার ও খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে কর্মরত গোলাম রাব্বানীকে গত ২২ ফেব্রুয়ারি সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি গোপন রাখার চেষ্টা করছে এবং তদন্ত প্রক্রিয়ায় তাকে রক্ষা করার অপচেষ্টা চলছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, প্রভাব খাটিয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালের কয়েকজন কর্মীকে অবৈধভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ দিয়েছেন এবং বিভিন্ন প্রকল্প, যেমন ভিডিও ডকুমেন্টারি ও কনভোকেশন প্রচারের নামে অর্থ আত্মসাত করেছেন।
এ বিষয়ে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রকাশক : সোহেল রানা সম্পাদক: আব্দুস সামাদ সায়েম
©২০১৫-২০২৫ সর্বস্ত্ব সংরক্ষিত । তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত (নিবন্ধন নং-২১০)