
বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়া গরু চুরি ও অন্যান্য অপরাধের প্রতিবাদে এবং চিহ্নিত চোরদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল ১০টায় উপজেলার শাহ-বন্দেগী ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর নামাবালা এলাকায় এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধনে উপস্থিত এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, গত কয়েক মাসে এলাকায় ৪টি অটোরিকশা, বেশ কিছু গরু, বসতবাড়ি থেকে স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা চুরির ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ গত রবিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে কৃষ্ণপুর নামাপাড়া এলাকার জাহাঙ্গীর হোসেনের প্রায় ৭ লক্ষ টাকা মূল্যের ৪টি গাভী গরু পিকআপ ভ্যানে করে চুরি করে নিয়ে যায় সংঘবদ্ধ চোর চক্র।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ফয়সাল, শফিকুল ইসলাম, সোনা মেম্বার ও জিন্নাহ। তারা বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে গরু চুরির কাজে ব্যবহৃত পিকআপ ভ্যানটি চলে যাওয়ার ১৫ মিনিট পরই মোটরসাইকেল নিয়ে শফিক ও রঞ্জুকে একই পথে যেতে দেখা যায়। এতে তাদের সম্পৃক্ততা স্পষ্ট। এলাকাবাসী অবিলম্বে চুরি হওয়া গরু উদ্ধার এবং এই চক্রের সাথে জড়িত শফি, রঞ্জু, জিহাদ ও কান্টুর কঠোর শাস্তি দাবি করেন।
চুরি হওয়া গবাদিপশু দ্রুত উদ্ধার এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মাধ্যমে এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।
উল্লেখ্য, গত সোমবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে গরু চুরির সন্দেহে তিন যুবককে ধাওয়া করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে স্থানীয়রা। আটককৃতরা হলো আমজাদ হকারের ছেলে জয়নাল হোসেন ওরফে জিহাদ, শফিক ও রঞ্জু সরকার। ওই সময় বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুরও করে।
শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম মইনুদ্দীন জানান, গরু চুরির মামলা হয়েছে। পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রকাশক : সোহেল রানা সম্পাদক: আব্দুস সামাদ সায়েম
©২০১৫-২০২৫ সর্বস্ত্ব সংরক্ষিত । তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত (নিবন্ধন নং-২১০)