
আতা ফল দেয়ার কথা বলে এক শিশুকে ডেকে নিয়ে দুজন মিলে পাষবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার রেহাইপুখুরিয়া পশ্চিম পাড়ায় গত বৃহস্পতিবার ঘটে। তবে ভয়ে মুখ খুলতে পারেনি ওই শিশুর পরিবার।
শনিবার ঘটনাস্থলে পুলিশ গেলে উভয় লম্পটের পরিবারের সদস্যরা পালিয়ে যায়। এদিকে ঘটনার পর থেকেই লম্পট কাউসার হোসেন (১০) ও রহিম রেজা (১২) পলাতক রয়েছে।
ভিকটিমের পরিবার ও স্থানীয়রা জানায়, গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ওই শিশুকে আতাফল দেয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে গোয়াল ঘরে দুইজন মিলে পাষবিক নির্যাতন করেন রেহাইপুখুরিয়া পশ্চিম পাড়ার গরুর বেপারী কালাম হোসেনের ছেলে কাউসার ও ফজলুল হকের ছেলে রহিম রেজা।
এ বিষয়ে শিশুর দাদি জানান, আমার নাতনি যখন বাড়িতে আসে তখন তাকে অস্বাভাবিক লাগে। পরে জিজ্ঞেস করলে আমার পুত্রবধূর কাছে কাউসার ও রহিম তার সাথে কি করছে সব খুলে বলে। পরে আমার নাতনির শরীরে রক্ত দেখে দ্রুত লম্পটদের মাকে জানাই।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনা স্থানীয় মাহমুদুল হাসানকে (মামুদ আলী মেম্বার) জানালে তিনি দ্রুত চিকিৎসা নিতে বলেন। এবং বিষয়টি মিমাংসা করে দিতে চান। বর্তমানে ওই শিশু টাঙ্গাইলের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।
এদিকে স্থানীয়রা বলছেন, বিষয়টি ধামাচাপা দিতে ভুক্তভোগী পরিবারকে হুমকি দেয়া সহ প্রভাব বিস্তার করছে একটি চক্র। এ কারনে তিনদিন পরে বিষয়টি প্রকাশ্যে আলোচনায় আসে। ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ধামাচাপার চেষ্টাকারী সহ দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি উঠেছে।
অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সমাজপতি মাবুদ মেম্বার জানান, এটা জেনেছি, মিমাংসা করে নেবার পরামর্শ দিয়েছি। এজন্য অনৈতিক সুবিধা গ্রহনের অভিযোগ উঠেছে, এমন প্রশ্ন করতেই নৌকার মধ্যে আছি, শোনা যাচ্ছে না বলে ফোন কেটে দেন।
এ বিষয়ে চৌহালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
প্রকাশক : সোহেল রানা সম্পাদক: আব্দুস সামাদ সায়েম
©২০১৫-২০২৫ সর্বস্ত্ব সংরক্ষিত । তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত (নিবন্ধন নং-২১০)