
বিসিএসআইআর-এর বর্তমান চেয়ারম্যান ড. সামিনা আহমেদ-এর মত প্রশাসনিক ভাবে অদক্ষ, স্বেচ্ছাচার,ক্ষমতার দাপট সহ ভয় ভীতি প্রদর্শনকারী, অধীনস্থ বিজ্ঞানী,কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অকারণে ঢাকার বাহিরে বদলী/পদ ছাড়া পদায়ন করার মাধ্যমে গবেষণার পরিবেশ
বিনষ্টকারীকে সরিয়ে তদস্থলে বিজ্ঞান মনস্ক এবং নিবেদিতপ্রাণ, প্রগতিশীল চিন্তা-চেতনা ও পেশায় দক্ষ একজন বিজ্ঞানী/অতিরিক্ত সচিব-কে চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ বা পদায়নের জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন সংবাদের সংশ্লিষ্ট সূত্রদাতারা।
উল্লেখিত বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারা বলেন,
বিসিএসআইআর এর গবেষণা কর্মকাণ্ড বেগবান ও গতিশীল করার লক্ষ্যে আশু পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য এ প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে এবার বিস্তারিত আলোচনায় ফিরছি।
ফ্যাসিবাদ সরকারের সময়ের আওয়ামী কট্টরপন্থী চেয়ারম্যান এর পলায়ন ও পদত্যাগের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বিসিএসআইআর-এ কর্মরত গুপ্ত দল (জামাত-শিবির) এর বিজ্ঞানীগন যেমন ড. হোসেন সোহরাব, ড. মো: সেলিম খান, ড. শাহ জামাল, ড. মো: নুরুল হুদা ভূইয়া, মো: আবু
তারেক আবদুল্লাহ, মো: তারিকুল হাসান, সুকৌশলে মব সৃষ্টিকারী সমন্বয়ক মো: সোহাগ মিয়া প্রীতম, সৈয়দ সাফকাত মাহমুদ প্রমুখদের সাথে বিসিএসআইআর এর অভ্যন্তরে সক্রিয় হন। মন্ত্রণালয় ও সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করে বিসিএসআইআর এর চীফ সায়েন্টিফিক অফিসার
(সিএসও) ড.সামিনা আহমেদ-কে চেয়ারম্যান পদে ৩ বছরের জন্য নিযুক্ত করার কাজে সাফলতা অর্জন করেন,যার প্রজ্ঞাপন নং ০৫.০০.০০০০.১৪৬.০০.০১৩.১৭.৫১৫, তারিখ: ১৮/০৯/২০২৪।
(সংযুক্তি ১):
গুপ্তদের সুদূর প্রসারী পরিকল্পনার প্রথম বাস্তবায়ন এ নিয়োগ ড.সামিনা আহমেদ। চেয়ারম্যান পদের প্রশাসনিক দক্ষতা না থাকা স্বত্ত্বেও উক্ত পদে আসীন হওয়ায় গুপ্ত দলের উক্ত ব্যক্তিদের তিনি কাছে টেনে নেন। জ্যেষ্ঠ ও যোগ্য কর্মকর্তা/বিজ্ঞানীদের বাদ দিয়ে উক্ত ব্যক্তিদের পরিচালক, রিসার্চ কো-অর্ডিনেটর-এর মত গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন করে প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় স্বেচ্ছাচারী হয়ে উঠেন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় তত্ত্বাবধায়ক
সরকারের উপদেষ্টাদের সাথে যোগাযোগ সংরক্ষণ, মন্ত্রণালয়ের কর্তৃত্বের উপর প্রভাব বিস্তার ও বিসিএসআইআর এর মধ্যে নিজেদের ক্ষমতার তৎপরতা সুদৃঢ় করার প্রয়াসে তথাকথিত সমন্বয়কদের সাথে সভা-সমাবেশ, পার্টি পরিচালনা করা সহ বিভিন্ন অপ্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম চালু করেন।
( সংযুক্তি ২):
এ সকল কার্যক্রমের প্রমাণস্বরূপ সংযুক্তি ২ (২ পাতা) সংযুক্ত করা
হল। চেয়ারম্যান ড. সামিনা আহমেদ এদের অর্থাৎ ড. হোসেন সোহরাব, ড. মো: সেলিম খান, ড. মো: নুরুল হুদা ভূইয়া, ড. শাহ জামাল, সত্যজিৎ রায় প্রমুখদের পরামর্শ মতে সৎ,পরিশ্রমী নিবেদিত বিজ্ঞানী, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের অন্যত্র বদলী করেন। এছাড়াও অনেককে পদ বিহীন পদায়ন করে গবেষণার পরিবেশ বিনষ্ট সহ ভীতিকর পরিস্থিতি গড়ে তোলেন। এ চক্রের বিরুদ্ধে কেহ কথা বলতে রীতিমত ভীত সন্ত্রস্ত থাকেন। জাতীয় নির্বাচনের সময় এদের স্লোগান ছিল “খালেদা জিয়ার সালাম নিন, দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিন” (সংযু্ক্তি ২, পাতা ২)। এছাড়া নিজেদের
প্রভাব বিস্তার ও প্রভাব অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য বিসিএসআইআর এর যন্ত্রপাতি ও কেমিক্যাল ক্রয় কাজে পার্টি থেকে কোটি টাকার বেশী অগ্রিম ঘুষ গ্রহণ করেন, যা বিভিন্ন পত্রিকায় প্রতিবেদন আকারে প্রকাশিত হয়েছে।
(সংযু্ক্তি ৩):
এভাবে ড. সামিনা আহমেদ এর নেতৃত্বের দূর্বলতার কারণে বিসিএসআইআর-এ অদক্ষ প্রশাসনিক ব্যবস্থা, স্বেচ্ছাচারী বলয়, ক্ষমতার
বাহাদুরি প্রদর্শনের ক্ষত বিরাজিত। ফলে ল্যাবগুলোতে গবেষণার পরিবেশ বিনষ্ট হয়ে পড়েছে, কাজের গতি থমকে গেছে। ড. সামিনা আহমেদের স্বেচ্ছাচারিতায় জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানীগন নিগৃহীত ও অসম্মানিত হচ্ছেন। ইন্সটিটিউট অব মাইনিং, মিনারেলজি এন্ড মেটালার্জি (আইএমএমএম) বিসিএসআইআর,জয়পুরহাট গবেষণাগারে সিএসও পদধারী (বেতনগ্রেড ৩) দুজন জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী পদায়িত থাকা স্বত্ত্বেও তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ০৫.০০.০০০০.১৭০.১১.০১৭.২১.৯৭, তারিখ ১৮/০৪/২০২৩ প্রজ্ঞাপনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে, শুধুমাত্র ব্যক্তিগত আক্রোশ চরিতার্থ কল্পে পিএসও পদধারী (বেতনগ্রেড ৪, সিএসও পদের ১ ধাপ নীচের পদ) একজন বিজ্ঞানীকে দায়িত্ব প্রদান করে জ্যেষ্ঠ তিনজন বিজ্ঞানীদের তার অধীনস্ত করে রেখেছেন।
(সংযুক্তি ৪):
ড. সামিনা আহমেদ বিএনপি ঘরানার হলেও তার অদক্ষতা এবং গুপ্তদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হওয়ার চিত্র প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রকাশ পাচ্ছে। গুপ্ত ব্যক্তিগন আওয়ামী আমলে আওয়ামী লেবাসে ছিলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে বিএনপির জামা গায়ে পড়েন এবং এনসিপি’র সমন্বয়কদের সাথে মিশে যান। আর এখন কখনও জামাত, কখনও বিএনপি সেজে তাদের ক্ষমতার
ধ্বজা শানিত করছেন। এ সকল বর্নচোরা জামাত-শিবিরের কানেকশনের চিত্র সংযুক্ত করা হল।
(সংযুক্তি ৫):
দুর্ভাগ্যজনক এই যে, সম্প্রতি ড. সামিনা আহমেদ, চেয়ারম্যান পদে থেকে যাওয়ার প্রয়াসে নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা ও প্রয়াত মেয়র সাদেক হোসেন খোকা এবং বর্তমান মুক্তিযোদ্ধা প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন-এর নিকটাত্মীয় বলে প্রচার করে অন্যদের প্রভাবিত করছেন এবং গুপ্ত কুচক্রীদের কথামত কাজ করে যাচ্ছেন। ড. সামিনা আহমেদ ১৮/০৯/২০২৪ তারিখে চেয়ারম্যান পদে পদায়িত হবার প্রায় ১০/১১ মাস পর, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ১৮/০৮/২০২৫ তারিখের ০৫.০০.০০০০.১৩৩.১২.০০১৪.২৫.৪০৯
সংখ্যক প্রজ্ঞাপন দ্বারা পরিচালক, বিসিএসআইআর পদে নিয়োগ প্রাপ্ত হন ।
(সংযুক্তি ৬):
এ নিয়োগের আলোকে তিনি যোগদানপত্র প্রদান করেন, যা বিধি সম্মত হয়নি। কেননা, তিনি চেয়ারম্যান পদের দায়িত্ব পরিত্যাগ (Relinquish) না করে পরিচালক পদে যোগদান করেন। সুতরাং আদেশ ব্যতীত তিনি দু’পদের কার্যভার পরিচালনা করতে পারেন না। বিষয়টি প্রশাসনিক বিধির
ব্যতয় এবং ড.সামিনা আহমেদ কর্তৃক গৃহীত সকল কার্যক্রম বেআইনি ও এর দায় ব্যক্তিগতভাবে তার উপর বর্তায়। চেয়ারম্যান পদে থেকে প্রশাসনিক ও আর্থিক বিধি বিধান না জানা থাকা সংশ্লিষ্ট সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের জন্য ক্ষতিকর, যা বিভিন্ন কার্যক্রমে প্রতিফলিত হচ্ছে। জন্মতারিখ ১৫/০৬/১৯৬৭ অনুযায়ী ১৪/০৬/২০২৬ তারিখে ড. সামিনা আহমেদ এর বয়স ৫৯ বছর পূর্ণ হচ্ছে বিধায় এ তারিখের পর তিনি চাকুরী হতে পিআরএল-এ গমন করবেন।
(সংযুক্ত ৭):
ড.সামিনা আহমেদ ব্যক্তিগতভাবে আর্থিক অনিয়ম করে নিজে লাভবান না হলেও প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসাবে এর দায়ভার তাঁকে ও সরকার তথা বিএনপি-কে নিতে হচ্ছে। এখানেই চলছে জামাতের সুক্ষ মারপ্যাঁচের কার্যক্রম। বিসিএসআইআর-এর সবচেয়ে বড় ও মর্যাদাপূর্ণ গবেষণাগার হচ্ছে, “বিসিএসআইআর গবেষণাগার, ঢাকা” যা ‘ঢাকা ল্যাব’ নামে পরিচিত। আর এ গবেষণাগারের পরিচালকের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে গ্রেডেশন লিস্টের ১৩ নম্বরে অবস্থানকারী জামাত-শিবিরের সাথে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানী ড. হোসেন সোহরাব-কে (সংযুক্তি ৫, ৭)। গবেষণা সমন্বয়কারী হিসাবে পদায়ন করা হয়েছে জামায়াতের ড.শাহ জামাল-কে। ড. সামিনা আহমেদ দায়িত্ব নেয়ার পরপরই জামায়াতের প্ররোচনায় বিজ্ঞানীদের মাঝে বিভাজন সৃষ্টি, গ্রুপিং, পছন্দের লোকদের সিনিয়রটি লঙ্ঘন করে পদায়ন ও বদলী পূর্বক এক
ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করে, আর এর মাঝেই দুর্নীতিবাজ দুর্বৃত্ত পরায়ণ বিজ্ঞানী নামধারী সুযোগ সন্ধানী চক্রটি ক্রয় কার্যক্রমে সক্রিয় উঠে। ড. হোসেন সোহরাব ও ড. মো: নুরুল হুদা ভূইয়া বিজ্ঞানী সংঘের ব্যানারে গোপনে পছন্দের ঠিকাদার নির্বাচন, সংশ্লিষ্ট কোম্পানির বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতির স্পেসিফিকেশন তৈরি সহ দরপত্র আহবান করে মূল্যায়নের প্রাথমিক
পর্যায়ের কাজ সম্পন্ন করেন। ড. হোসেন সোহরাব ও ড. মো: নুরুল হুদা ভূইয়া ২০২৫ সালের রমজান মাসে এমব্রোসিয়া, ধানমন্ডিতে এক ইফতার পার্টির আয়োজন করেন। বিজ্ঞানীদের কাছে ২০০ টাকা চাঁদা নিয়ে জনপ্রতি ১০০০ টাকার উপর ইফতার প্লেট সরবরাহে বিজ্ঞানীদের মাঝে সন্দেহ দেখা দেয় এবং এ বিষয়ে বিজ্ঞানীরা অনুসন্ধান করে দেখে, বিজ্ঞানী সংঘের প্যাড ও নাম ব্যবহার করে এই চক্র ভয়াবহ দুর্নীতি ও অর্থ লোপাটের ফাঁদ পেতেছে। তাঁরা ঠিকাদারের কাছ হতে অগ্রিম প্রায় কোটি টাকা ঘুষ হিসাবে গ্রহণ করেছেন এবং যন্ত্রপাতি ক্রয়ের বিষয়টি বৈধতা দেয়ার উদ্দেশ্যে এই ইফতার পার্টির আয়োজন করেন। বিষয়টি অধিকতর জানাজানি হলে ‘দৈনিক আমাদের সময়’,‘দৈনিক কালবেলা’সহ আরও কয়েকটি পত্রিকায় লেখালেখি হয় (সংযুক্তি ৩) এবং পরবর্তীতে দূর্নীতি দমন কমিশনের টাস্ক ফোর্স বিসিএসআইআর-এর মত প্রতিষ্ঠানে হানা দেয় ও দুর্নীতির প্রাথমিক আলামত সংগ্রহ করে এবং বর্তমানে মামলা রজ্জুর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন
রয়েছে।
(সংযুক্তি ৮):
এ সমস্ত বিষয় ঘটেছে পরিষদের চেয়ারম্যান ড. সামিনা আহমেদের প্রশাসনিক অদক্ষতা, দূরদর্শিতার অভাব, জামাত-শিবির চক্রের ছকে পথ চলা, বিজ্ঞানীদের মাঝে বিভাজন সৃষ্টি, গ্রুপিং ইত্যাদি কারনে।
বিসিএসআইআর-এর চট্টগ্রাম কার্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পে ‘সোলার প্যানেল’ স্থাপন কাজটি ড. হোসেন সোহরাব ও ড. মো: নুরুল হক ভূইয়ার পরামর্শে নিজেদের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেয়ার নিমিত্ত ড.সামিনা আহমেদ দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশ উপেক্ষা করে পুন:দরপত্র আহবানের নির্দেশ প্রদান করেন। ঠিকাদার কর্তৃক বাংলাদেশ পাবলিক
প্রোকিউরমেন্ট অথরিটির (বিপিপিএ, যা পূর্বে সিপিটিইউ নামে পরিচিত ছিল) কাছে অভিযো দায়ের করেন। বিপিপিএ তাদের রিভিউ কার্য বিবরণীতে উল্লেখ করেন ‘এখানে HOPE দরপত্রটি বাতিল করলেন, কিন্তু কেন বাতিল করলেন তাঁর মন্তব্যে উল্লেখ নেই। যেটি স্বেচ্ছাচারিতার সামিল এবং professional misconduct হিসেবে বিবেচিত’। বিপিপিএ “দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশ মোতাবেক কার্যাদেশ প্রদান এবং HOPE-কে ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করেন”।
(সংযুক্তি ৯):
যা ছিল প্রশাসনিক অদক্ষতা। কেননা তিনি ইচ্ছে করলেই প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় বা পরিষদের সদস্য (প্রশাসন) ও সদস্য (অর্থ) মহোদয়ের সাথে পরামর্শ করতে পারতেন,তা না করে তিনি সেই জামাত-শিবিরের বিজ্ঞানীদের সাথে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত দেন। ফলে প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়কেও এই অনৈতিক কাজের দায়ভার গ্রহণ করতে হয় বিপিপিএ-র পত্র প্রাপ্তিতে। ড.সামিনা আহমেদ, চেয়ারম্যান বিসিএসআইআর, একটি সংস্থার প্রধান ব্যক্তি। জামায়াত শিবিরের মব সৃষ্টির মাধ্যমে তাঁর নিজ পদায়ন এবং একই ধারাবাহিকতায় “বিজ্ঞান সংঘ”-এর ব্যানারে মব সৃষ্টি করে সরকারের একজন যুগ্ম-সচিব ও সদস্য, বিসিএসআইআর জনাব
মো: রোকনুজ্জামান (৭৮৯৪) বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেপথ্যে ভূমিকা রাখা ও বিসিএসআইআর হতে চলে যেতে বাধ্য করা হয়।
(সংযুক্তি ১০):
মো: রোকনুজ্জামান বিসিএসআইআর-এ চাকুরীকালীন সময়ে কখনই কোন অন্যায়ের সাথে আপোষ করেননি, আর্থিক অনিয়ম তো দূরের কথা। ড.
সামিনা আহমেদ, সিএসও থাকাকালীন অবস্থায়, ২০২৪ সালের এসিআর বিধি মোতাবেক জনাব মো: রোকনুজ্জামান-এর কাছ থেকে নেয়ার কথা থাকলেও তিনি চেয়ারম্যান পদে থাকায় ক্ষমতার প্রভাবে অন্য একজন সদস্য (উন্নয়ন), কাজী আনোয়ার হোসেন-এর নিকট হতে এসিআর গ্রহণ
করেন যা বিধি সম্মত নয়। একইভাবে তাঁর অপছন্দের জনবল জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক-কেও “বিজ্ঞানী সংঘ”-এর ব্যানারে মব সৃষ্টি করে চাকুরি ছাড়তে বাধ্য করা হয়।
(সংযুক্তি ১১):
সম্প্রতি, বিসিএসআইআর-এর পরিষদ সচিবালয় হতে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ নথি মাঝরাত হতে ভোররাত পর্যন্ত পিক-আপ ও রিক্সা ভ্যানে করে সরিয়ে ফেলা হয়। সার্বিক বিষয়টি পরিষদের সিসি-ক্যামেরায়ও সংরক্ষিত রয়েছে। এ বিষয়ে দু’জন নিরাপত্তা প্রহরীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং ‘মব’-এর জনবল ড. হোসেন সোহরাব, ড. শাহ জামাল-দের দিয়ে ঘরোয়া
কমিটির তদন্তের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা চলছে।
(সংযুক্তি ১২):
জানা গেছে, চেয়ারম্যানের আস্থা-ভাজন জনাব বেনজীর আহমেদ রাতে আধারে নথি সরানোর আদেশ দেন, আর পকেট কমিটি দিয়ে বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা চলছে যে, অফিসের পরিত্যক্ত কার্টন ও পুরানো পেপার সরানোর জন্য জনাব বেনজির আহমেদ মাঝরাতে কাজ করছিলেন। জনাব বেনজির আহমেদ কার নির্দেশে রাতের আধারে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কোন কোন নথি গায়েব করল এ বিষয়ে প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের অনুসন্ধান পরিচালনা করা প্রয়োজন বলে বিসিএসআইআর-এর জনবল মনে করেন। নথি গায়েবের বিষয়টি প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়নি। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় হতেও বিসিএসআইআর-এর সার্বিক প্রশাসনিক অবকাঠামো পুন:গঠন করা প্রয়োজন বলেও মনে করেন বিসিএসআইআর-এর বিজ্ঞানী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
এসব বিষয় নিশ্চিত করে বিসিএসআইআর এ ঘটে যাওয়া প্রকৃত ঘটনার সার্বিক পুঞ্জীভূত বিষয় কর্তৃপক্ষের নজরে আনতে এবং প্রতিকার পাওয়ার লক্ষ্যে ‘মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়,গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার বরাবরে দরখাস্তও পাঠিয়েছেন বলেও জানায় সূত্রটি। সূত্র আরও বলেন ,ড. সামিনা আহমেদ এর স্থলে একজন যোগ্য চেয়ারম্যান নিয়োগ জরুরি হয়ে পড়েছে। আর এবিষয়ে নিম্নরূপ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সবিনয় অনুরোধ কছেন তারা।
(১) অন্যূন ১৪/০৬/২০২৬ তারিখে ৫৯ বছরে উপনীত হওয়ার পর পিআরএল শুরু হবে ফলে ড. সামিনা আহমেদ-এর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবসান।
(২) পরিচালক পদে যোগদানের পর সরকারি পুন:আদেশ ছাড়া চেয়ারম্যান পদের দায়িত্ব পালন বিধি সম্মত না হওয়ায় বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।
(৩) যে চক্রের আবর্তে ড.সামিনা আহমেদ দুর্বৃত্ত পরায়ণ হয়েছেন, সে চক্র ভেঙ্গে দেয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।
(৪) সর্বোপরি, বিসিএসআইআর-এ বিজ্ঞান মনস্ক, নিবেদিত প্রাণ, প্রগতিশীল চিন্তা ও পেশায় দক্ষ একজন বিজ্ঞানী বা অতিরিক্ত সচিবকে নিয়োগ প্রদানের জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন বিসিএসআইআর-এর সাধারণ বিজ্ঞানী,কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।‘‘সুদক্ষ জনবলে টিকে থাক (বিসিএসআইআর) বহুমাত্রিক দূর্ণীতিবাজরা নিপাত যাক’’এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।
এবিষয়ে কথা বলতে ড.সামিনা আহমেদের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
এম.এ. জলিল রানা.সিনিয়র রিপোর্টার ঢাকা: ১২ মে -২০২৬।
মোবাইল: ০১৯৩১-৩৮৩৪৬৬-E-mail:rana5w1h85@gmail.com
প্রকাশক : সোহেল রানা সম্পাদক: আব্দুস সামাদ সায়েম
©২০১৫-২০২৫ সর্বস্ত্ব সংরক্ষিত । তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত (নিবন্ধন নং-২১০)