স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রানের রেকর্ড অনেক দিন ধরেই বিরাট কোহলির। এবার দেশটির প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ১৪ হাজার রানের ঠিকানায় পা রাখলেন তিনি।
কোহলির আগে এই স্বাদ পেয়েছেন বিশ্বের আরও পাঁচ জন, তবে কোহলির চেয়ে দ্রুততায় মাইলফলকটি ছুঁতে পারেননি আর কেউ। আইপিএলে টানা দুই শূন্যর পর বুধবার (১৩ মে) কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে রান তাড়ায় ম্যাচ জয়ী সেঞ্চুরি উপহার দেন কোহলি। ৬০ বলে অপরাজিত ১০৫ রানের ইনিংস খেলার পথে ১৪ হাজার রান পূর্ণ করেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুরের এই তারকা।
এজন্য কোহলির লাগল ৪০৯ ইনিংস। এতদিন রেকর্ডটি যার ছিল, সেই ক্রিস গেইলের লেগেছিল ৪২৩ ইনিংস। ডেভিড ওয়ার্নারের ৪৩১, জস বাটলারের ৪৬৮, অ্যালেক্স হেলসের ৫০৫ ও কাইরন পোলার্ডের ৬৩৩ ইনিংস লেগেছিল। মাইলফলকটি ছুঁতে রায়পুরে এ দিন কোহলির প্রয়োজন ছিল ৭৮ রান। ৭২ থেকে দুটি চার মেরে কাঙ্ক্ষিত ঠিকানায় পৌঁছান তিনি। পরে পূর্ণ করেন টি-টোয়েন্টিতে তার দশম ও আইপিএলে নবম সেঞ্চুরি।
এই ম্যাচ খেলতে নেমেই একটি রেকর্ড নিজের করে নেন কোহলি। মহেন্দ্র সিং ধোনি (২৭৮) ও রোহিত শার্মাকে (২৭৮) ছাড়িয়ে আইপিএলে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড এখন শুধুই তার (২৭৯)। পরে ব্যাট হাতে তিনি গড়েন আরেক কীর্তি- আইপিএলের এক আসরে চারশ রান।
কোহলির জন্য অবশ্য এটি নতুন কিছু নয়। এই নিয়ে ১২ আসরে চারশ বা এর বেশি রান করলেন তিনি। এই তালিকায় তার ধারেকাছেও কেউ নেই। ৯ বার করে আছে ডেভিড ওয়ার্নার, সুরেশ রায়না, শিখার ধাওয়ান ও রোহিত শার্মার। লোকেশ রাহুলের আছে আটবার, শুবমান গিলের সাতবার। ছয়বার করে আছে এবি ডি ভিলিয়ার্স ও শ্রেয়াস আইয়ারের।
এবারের আসরে প্রথম ৯ ম্যাচে কোহলির ব্যাট থেকে আসে ৩৭৯ রান। পরের দুই ম্যাচে তিনি শূন্য রানে আউট হন লখনৌ সুপার জায়ান্টস ও মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে। আইপিএল ইতিহাসের সফলতম ব্যাটসম্যানের এমন অভিজ্ঞতা হয় ১৯ আসরের মধ্যে দ্বিতীয়বার। কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে বুধবার রান তাড়ায় প্রথম ওভারের শেষ বলে স্ট্রাইক পেয়েই রানের দেখা পান কোহলি। পঞ্চম ওভারে ১০ বলে ২১ রানে পৌঁছে আসরে চারশ রান পূর্ণ করেন ৩৭ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যান।
প্রকাশক : সোহেল রানা সম্পাদক: আব্দুস সামাদ সায়েম
©২০১৫-২০২৫ সর্বস্ত্ব সংরক্ষিত । তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত (নিবন্ধন নং-২১০)