ইরান যদি আবারও কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার হুমকি বাস্তবায়ন করে, তাহলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে চীন- যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপ নয় বলে মন্তব্য করেছেন এক নিরাপত্তা বিশ্লেষক।
অস্ট্রিয়ার সরকারের সাবেক প্রতিরক্ষা অ্যাটাশে এবং নিরাপত্তা বিশ্লেষক উলফগ্যাং পুস্টাই কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, হরমুজ প্রণালী নিঃসন্দেহে ইরানের কৌশলগত নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। তবে এ বিষয়টি ব্যবহারে তেহরানের সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, “হরমুজ প্রণালী নিঃসন্দেহে ইরানের কৌশলগত পরিকল্পনার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এতে কোনও সন্দেহ নেই। তবে ইরানের উচিত এই হাতিয়ার অতিরিক্ত ব্যবহার না করা।”
পুস্টাই আরও বলেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যেসব জাহাজ চলাচল করে, তাদের অধিকাংশই যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপের দিকে যায় না; বরং এগুলো মূলত ভারত, চীন এবং পাকিস্তানের মতো দেশের বাজারের জন্য জ্বালানি ও পণ্য পরিবহন করে।
তিনি উল্লেখ করেন, “হরমুজ প্রণালী দিয়ে যত বেশি নৌযান চলাচল বাধাগ্রস্ত হবে, তত বেশি চীনের অর্থনীতির ওপর এর প্রভাব পড়বে।”
বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের একটি বড় অংশ এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এখানে কোনও ধরনের উত্তেজনা বা অবরোধ বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে পারে এবং প্রধানত এশিয়ার অর্থনীতিগুলোকেই বেশি চাপের মুখে ফেলতে পারে। সূত্র: আল-জাজিরা
প্রকাশক : সোহেল রানা সম্পাদক: আব্দুস সামাদ সায়েম
©২০১৫-২০২৫ সর্বস্ত্ব সংরক্ষিত । তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত (নিবন্ধন নং-২১০)