যমুনার নদীর পানির ঘূর্ণাবর্তন ও তীরে গভীরতা বেশি হওয়ায় যমুনা নদীর বাহুকা পয়েন্টে নদী তীর রক্ষা বাঁধে ধস নেমেছে। ধসের কারণে প্রায় ৩০ মিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়াও যমুনার পানি বৃদ্ধি ও কমার সাথে সাথে চৌহালী ও শাহজাদপুরের কয়েকটি পয়েন্টে ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙনে বসতভিটা ও ফসলী জমি বিলীন হচ্ছে। এতে নদী তীরবর্তী মানুষ আতঙ্কের মধ্যে বসবাস করছে।
স্থানীয়রা জানান, শনিবার বিকেলে হঠাৎ করে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বাহুকা গ্রামের যমুনা নদীর ডান তীর রক্ষা বাঁধ ধস নামতে শুরু করে। মুহূর্তের মধ্যে প্রায় ৩০ মিটার এলাকা ধসে যমুনায় বিলীন হয়ে যায়। এতে এলাকার মানুষের মধ্যে ভাঙ্গন আতংক দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে, চৌহালীর চর সলিমাবাদে প্রায় ৩ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে এবং শাহজাদপুরের সোনাতনী ইউনিয়নে ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙ্গনে প্রতিদিন বসতভিটা ও ফসলী বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এতে মানুষ সবকিছু হরিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ছে।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নাজমুল হোসাইন বলেন, বর্তমানে যমুনা নদীর পানি কখনও বাড়ছে আবার কখনও কমছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ সে.মি. কমছে। এ কারনে যমুনার অরক্ষিত অঞ্চলে কিছু স্থানে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বলেন, বাহুকায় এলাকায় নদী তীর থেকে সামান্য দূরে চর জেগে ওঠায় নদীর তীরে পানির গভীরতা দেখা দিয়েছে। এর সাথে ঘূর্ণাবর্তনের কারণে বাঁধের ৩০ মিটার এলাকা ধ্বংসে গেছে। বর্তমানে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙ্গন নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। এ ছাড়াও চৌহালী এলাকায় জিওব্যাগ ফেলা হচ্ছে। তবে শাহজাদপুরের সোনাতনী চর এলাকায় ভাঙ্গন দেখা দিলেও কোন ব্যবস্থা গ্রহনের সুযোগ নেই।
প্রকাশক : সোহেল রানা সম্পাদক: আব্দুস সামাদ সায়েম
©২০১৫-২০২৫ সর্বস্ত্ব সংরক্ষিত । তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত (নিবন্ধন নং-২১০)