ইরানে মাত্র দুই দিনে ১৭০টির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। জবাবে উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা শুরু করেছে তেহরান।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)-এর বরাত দিয়ে নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের উপকূলে এই ব্যাপক হামলা হয়। হামলায় ধ্বংস করা হয়েছে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ড্রোন ও মিসাইলের গুদাম এবং সামরিক স্পিডবোট। মূলত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের আক্রমণ করার ক্ষমতা কমাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গত জুনের তুলনায় এবার ১৪ গুণ বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করেছে ওয়াশিংটন।
এদিকে, মার্কিন হামলার পর বসে নেই ইরানও। তারা উপসাগরীয় অঞ্চলে পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। জর্ডানের বিভিন্ন এলাকায় সাইরেন বেজে ওঠে। কুয়েতের আকাশে ৩টি ব্যালিস্টিক মিসাইল, ১টি ক্রুজ মিসাইল এবং ১০টি ড্রোন শনাক্ত হয়। এগুলো আকাশে আটকে দেওয়া হলেও, মিসাইলের টুকরো পড়ে একজন আহত হয়েছেন।
বাহরাইন ও কাতারেও ভোর সাড়ে তিনটার দিকে একই রকম হামলা হয়েছে। বিপদের আশঙ্কায় কাতারে সাধারণ মানুষের মোবাইলে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়। কয়েক মাসের মধ্যে এটিই প্রথম সতর্কবার্তা। তবে দ্রুতই বিপদ কেটে যাওয়ার বার্তাও দেওয়া হয়।
ইরান বলছে, উপসাগরীয় দেশগুলো মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে আশ্রয় দিচ্ছে। এর মানে হলো তারা ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় মদদ দিচ্ছে। তবে কাতারসহ উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং সংকট সমাধানে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছে।
প্রকাশক : সোহেল রানা সম্পাদক: আব্দুস সামাদ সায়েম
©২০১৫-২০২৫ সর্বস্ত্ব সংরক্ষিত । তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত (নিবন্ধন নং-২১০)