ন্যাটো সম্মেলন চলাকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিমানে হামলার খবর ঘিরে তৈরি হয়েছে তীব্র বিতর্ক। আঙ্কারায় ট্রাম্পের এয়ার ফোর্স ওয়ান লক্ষ্য করে ইরানি গুপ্তচরদের কাঁধ থেকে নিক্ষেপিত ক্ষেপণাস্ত্র (ম্যানপ্যাডস) হামলার যে গোপন তথ্য ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা দিয়েছিল, তা সম্পূর্ণ ভুয়া এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করছেন তুর্কি নিরাপত্তা কর্মকর্তারা।
গত মাসে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে ইসরায়েলি গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সিআইএ ও মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস ট্রাম্পের নিরাপত্তার জন্য নজিরবিহীন পদক্ষেপ নেয়। মূল বিমান পরিবর্তন করা থেকে শুরু করে ক্যাটারিং গাড়িতে করে ট্রাম্পকে গোপনে অন্য বিমানে সরিয়ে নেওয়ার মতো নাটাকীয় ঘটনাও ঘটেছিল।
তবে তুর্কি নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তুরস্কের অত্যন্ত কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কোনো ইরানি গোষ্ঠীর পক্ষে এভাবে ক্ষেপণাস্ত্র আনা কিংবা হামলা চালানো বাস্তবসম্মত ছিল না। তাদের দাবি, মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনা এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তা বানচাল করতেই এই নাটক সাজিয়েছিল নেতানিয়াহু সরকার। ট্রাম্প ও এরদোয়ানের মধ্যকার ইতিবাচক বৈঠকে তুরস্ককে এফ-থার্টিফাইভ যুদ্ধবিমান সরবরাহের যে আলোচনা চলছিল, তা নস্যাৎ করাও এই ভুয়া গোয়েন্দা তথ্যের অন্যতম একটি লক্ষ্য ছিল বলে মনে করছে আঙ্কারা। তেল আবিব ও হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সরাসরি কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া না গেলেও, বিশ্ব রাজনীতির অভ্যন্তরীণ এ টানাপোড়েন নিয়ে নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে।
সূত্র: মিডলইস্ট আই
প্রকাশক : সোহেল রানা সম্পাদক: আব্দুস সামাদ সায়েম
©২০১৫-২০২৫ সর্বস্ত্ব সংরক্ষিত । তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত (নিবন্ধন নং-২১০)