অস্ট্রেলিয়া ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দিয়ে তৃতীয় দিন শেষ করেছিল। তবে চতুর্থ দিনের শুরু থেকেই টাইগারদের বোলিং তোপে পড়ে অজিরা। দেড় ঘণ্টা না যেতেই তাদের তিন উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। ক্যামেরন গ্রিনের সঙ্গে এদিন বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি অ্যালেক্স ক্যারি, বেউ ওয়েবস্টার ও প্যাট কামিন্স। তবে শেষ পর্যন্ত ইনিংস হার এড়িয়ে লিড নিয়েছে স্বাগতিকরা। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৮৪ ওভারে সাত উইকেটে ২৪৩ রান করেছে তারা। এতে লিড দাঁড়িয়েছে ১৫ রান।
দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেটে ১৬১ রান নিয়ে দিন শুরু করেছিল অজিরা। দিনের সপ্তম ওভারে তারা পঞ্চম উইকেট হারায়। ক্যারিকে ফিরিয়ে গ্রিনের সঙ্গে ৫৬ রানের জুটি ভেঙে দেন মিরাজ। ক্যারি ৭২ বলে ৩০ রান করে লিটন দাসের ক্যাচ হন।
১৩ মাস পর ও ১৩ ইনিংসে প্রথম হাফ সেঞ্চুরিতে অপরাজিত গ্রিনের সঙ্গে ক্রিজে থাকতে পারেননি ওয়েবস্টার। মিরাজ তাকে ৫ রানে বোল্ড করেন। ১০৯ বলে ২ চারে ফিফটি করা গ্রিনকে সঙ্গ দিতে নেমে প্যাট কামিন্স মাত্র ৮ রান করে সাদমান ইসলামের ক্যাচ হন। তাকেও ফেরান মিরাজ। এটি ছিল নতুন দিনে তার তৃতীয় ও ইনিংসে চতুর্থ উইকেট। ২০৭ রানে সপ্তম উইকেট পড়ে অস্ট্রেলিয়ার।
তারপর স্টার্ক ও গ্রিনের জুটিতে ৭৯তম ওভারের শেষ বলে সমতায় ফেরে স্বাগতিকরা। আর দুই বল খেলে লিড নেয় তারা। গ্রিন সিঙ্গেল নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার স্কোরবোর্ডে ৭ উইকেটে ২২৯ রান এনে দেন। ২২৮ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে প্রথম ইনিংসের মতো ভরাডুবি দেখেনি অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশ প্রায় দুই সেশনে চার উইকেট নিয়ে কিছুটা চাপ তৈরি করেছিল। কিন্তু তৃতীয় দিন শেষ সেশনে দারুণ প্রতিরোধ গড়ে স্বাগতিকরা। ৬৭ রানে পিছিয়ে থেকে তৃতীয় দিনের খেলা শেষ করে তারা লড়াইয়ের মানসিকতা ফিরিয়ে আনছিল।
অস্ট্রেলিয়ার ১৯৮ রানের জবাবে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রান করে। তানজিদ হাসানের সেঞ্চুরি ও নাজমুল হোসেন শান্তর হাফ সেঞ্চুরির পর মেহেদী হাসান মিরাজের ফিফটিতে তারা শক্ত অবস্থানে থেকে ইনিংস শেষ করে। শনিবার তৃতীয় দিনের খেলায় বাংলাদেশ লাঞ্চের পরপর অলআউট হয়। এদিন চার উইকেট হাতে নিয়ে নেমেছিল সফরকারীরা। চারটি উইকেটই নেন জশ হ্যাজলউড। এই অস্ট্রেলিয়ান পেসার ৬ উইকেট নেন।
প্রকাশক : সোহেল রানা সম্পাদক: আব্দুস সামাদ সায়েম
©২০১৫-২০২৫ সর্বস্ত্ব সংরক্ষিত । তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত (নিবন্ধন নং-২১০)