চিনিমুক্ত’ বলে প্রচার করা স্টারবাকসের আটটি প্রোটিন পানীয়ে চিনি থাকার অভিযোগে মামলা করেছেন ক্রেতারা। তাদের দাবি, বড় আকারের প্রতি পরিবেশনে ১৩ থেকে ২১ গ্রাম চিনি রয়েছে। এর উৎস দুধে স্বাভাবিকভাবে থাকা ল্যাকটোজ।
রয়টার্স জানিয়েছে, শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলের ফেডারেল আদালতে মামলাটি হয়েছে। বাদীরা এটিকে ক্ষতিগ্রস্ত ক্রেতাদের পক্ষে সম্মিলিত মামলা হিসেবে পরিচালনার আবেদন করেছেন। বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন ও বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের ভোক্তা সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ক্ষতিপূরণ চেয়েছেন তারা। ক্ষতিপূরণের পরিমাণ উল্লেখ করেননি।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ‘চিনিমুক্ত’ পানীয়ের ২০ বা ২৪ আউন্সের ‘ভেন্টি’ পরিবেশনে এত চিনি আশা করে না সাধারণ ক্রেতারা। বাদীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ফেডারেল আইনে প্রতি ১২ আউন্সে শূন্য দশমিক ৫ গ্রামের বেশি চিনি থাকলে পানীয়কে ‘চিনিমুক্ত’ বলা নিষিদ্ধ।
বাদীদের অভিযোগ, চিনি কমাতে বা বাদ দিতে চাওয়া ৭৫ শতাংশ আমেরিকানের আগ্রহকে কাজে লাগিয়েছে স্টারবাকস। পানীয়গুলো কম ক্যালরির নয় কিংবা ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য নয়—আইনে প্রয়োজনীয় এই ঘোষণাও দেয়নি প্রতিষ্ঠানটি।
স্টারবাকস অভিযোগ অস্বীকার করেছে। মুখপাত্র বলেছেন, ঘোষণা, মেনু, বিজ্ঞাপন, ওয়েবসাইট ও অ্যাপে পুষ্টিমান, চিনিমুক্ত বিকল্প এবং উপাদান বদলের সুযোগ স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে। আদালতে অভিযোগ মোকাবিলা করবে প্রতিষ্ঠানটি। ক্রেতাদের আইনজীবী তাৎক্ষণিকভাবে বাড়তি মন্তব্য দেননি।
বিতর্কিত পানীয়গুলো হলো ভ্যানিলা ও ক্যারামেল স্বাদের ‘সুগার-ফ্রি’ প্রোটিন লাতে ও ম্যাচা এবং সেগুলোর বরফযুক্ত সংস্করণ।
ওয়েবসাইটে এগুলোকে ‘প্রোটিনসমৃদ্ধ’ ও ‘বাড়তি চিনি যোগ করা হয়নি’ বলা হয়েছে। সেখানে চিনির পরিমাণও রয়েছে। ভেন্টি পরিবেশনে ক্যালরি ২৭০ থেকে ৩৪০। ‘ব্যাক টু স্টারবাকস’ উদ্যোগের হালনাগাদ মেনুতে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে এগুলো আসে।
খাদ্যের বিজ্ঞাপন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে এমন মামলা নিয়মিত হয়। সম্প্রতি চিনির বিকল্প অ্যালুলোজযুক্ত পণ্যের ‘চিনিমুক্ত’ দাবির বিরুদ্ধেও কয়েক ডজন মামলা হয়েছে।
প্রকাশক : সোহেল রানা সম্পাদক: আব্দুস সামাদ সায়েম
©২০১৫-২০২৫ সর্বস্ত্ব সংরক্ষিত । তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত (নিবন্ধন নং-২১০)