ঠান্ডা হিমেল হাওয়ায় কনকনে শীত ও কুয়াশায় সিরাজগঞ্জের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কুয়াশাচ্ছন্নের কারনে দিনভর দেখা নেই সুর্য্যরে। পৌষের এমন শীতে জন-জীবনে ছন্দপতন ঘটেছে যমুনাপাড়ের শহর সিরাজগঞ্জের কর্মজীবী মানুষের। স্থবির হয়েছে নিম্ন আয়ের মানুষের শ্রমজীবন। আবহাওয়া অফিস বলছে, শৈত্য প্রবাহ আরো বাড়বে।

জানা যায়, গত তিনদিন যাবত জেলায় শীতের তীব্র প্রকোপ শুরু হয়েছে। শীতে সাধারন মানুষের ভোগান্তি শুরু হয়েছে। শুক্রবার দিনভর কোথাও সুর্য্যরে দেখা মেলেনি। ঠান্ডা বাতাস কাঁপিয়ে তুলেছে ছিন্নমুল মানুষগুলোকে। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাবে পথে-ঘাটে থাকা মানুষগুলো দুর্বিসহ দিনপার করছেন। শীত জনিত রোগ-বালাই শুরু হয়েছে। শীতে শিশু-বয়োবৃদ্ধ বেশি কষ্টে ভুগছেন। ফুটপাতের গরম কাপড়ের দোকান গুলোতে মানুষের ভীড় বাড়ছে। কুয়াশাচ্ছন্ন থাকায় সড়ক-মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে যানবাহন। বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে শরীরে একাধিক গরম কাপড় জড়িয়ে জীবিকার সন্ধানে নেমেছেন কর্মজীবী মানুষ। প্রচন্ড শীতে নির্মাণ শ্রমিক, মাটিকাটা শ্রমিক, দিনমজুর ও রিকশা চালকসহ দৈনিক আয়ে সংসার চালানো মানুষের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হয়ে পড়েছে।

শ্রমিক আব্দুল হালিম ও জসিম উদ্দিনসহ অনেকেই জানান, জীবিকার তাগিদে কাজে এসেছি। কিন্তুশীতে হাত-পা অবস আসছে। তারপরও কষ্ট করে কাজ করতে হচ্ছে।
বাজার স্টেশনের শাপলা খাতুন জানান, শীতে একেবারে কাবু হয়ে পড়েছি। কম্বল জড়িয়ে শীত নিবারন হচ্ছে না। আগুন জ্বালিয়ে বসে রয়েছি।
বাঘাবাড়ী আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়া অফিসার জানান, এ বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শুক্রবার ১০ ডিগ্রী সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
জেলা ত্রান ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আব্দুল বাছেত জানান, ইতোমধ্যে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সরকারের বরাদ্দ কম্বল বিতরন করা শুরু হয়েছে।
প্রকাশক : সোহেল রানা সম্পাদক: আব্দুস সামাদ সায়েম
©২০১৫-২০২৫ সর্বস্ত্ব সংরক্ষিত । তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত (নিবন্ধন নং-২১০)