ইরানে সরকারবিরোধী আন্দোলনে সহিংসতায় অন্তত ৫ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে পাঁচশত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য রয়েছেন। দেশটির এক কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
ওই প্রতিবেদনে কর্মকর্তার দাবি করেছেন, বিক্ষোভে এই প্রাণহানির জন্য ‘সন্ত্রাসবাদী ও সশস্ত্র দাঙ্গাকারীরা’ দায়ী। ইরানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় কুর্দি অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘর্ষ ও নিহতের ঘটনা ঘটেছে। ওই অঞ্চলে কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় এবং সেখানে অতীতের অস্থিরতাগুলোর সময়ও ব্যাপক সহিংসতা দেখা গেছে।
তবে নিহতের সংখ্যা বাড়ার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্ত। ইসরায়েল এবং বিদেশের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো বিক্ষোভকারীদের সমর্থন ও সরঞ্জাম সরবরাহ করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তবে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার দেওয়া তথ্যের সঙ্গে সরকারি এই হিসাবের পার্থক্য দেখা গেছে। মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ জানিয়েছে, বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা ৩ হাজারের বেশি। আরও ৪ হাজারের বেশি মৃত্যুর ঘটনা পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ২৪ হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তেহরান চলমান অস্থিরতার জন্য বরাবরই ইসরায়েলসহ তাদের বিদেশি শত্রুদের দায়ী করে আসছে। যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাসিত ইরানি নেতা রেজা পাহলভি দেশটির বিক্ষোভে সমর্থন জানিয়েছিলেন। সরকার পতন হলে ইরানের নেতৃত্ব দেওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছিলেন তিনি। ইসরায়েলও তার প্রতি সমর্থন জানিয়েছিল।
যদিও রয়টার্সকে সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, পাহলভির ইরানের নেতৃত্ব দেওয়ার মতো জনসমর্থন আছে কি না, তা নিয়ে তিনি সন্দিহান। সেই সাথে ইরানে মার্কিন হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা নেই বলেও জানান তিনি।
প্রকাশক : সোহেল রানা সম্পাদক: আব্দুস সামাদ সায়েম
©২০১৫-২০২৫ সর্বস্ত্ব সংরক্ষিত । তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত (নিবন্ধন নং-২১০)