২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর থেকে ভারতীয় টি-টোয়েন্টি দল যেন শুধু নিজের সাথে প্রতিযোগিতা করছিল। দুই বিশ্বকাপের মধ্যে তারা ৪১ ম্যাচের মধ্যে ৩১টি জিতেছে এবং এই সময়কালে ফরম্যাটের শীর্ষ ১১টি সর্বোচ্চ রানের মধ্যে তিনটি ভারতের।
আইসিসি টুর্নামেন্টেও ভারতের আধিপত্য ছিল চরম। তারা ধারাবাহিকভাবে উভয় হোয়াইট-বল ফরম্যাটে ১৭টি ম্যাচ জিতেছিল। কিন্তু রবিবার দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে পরাজয়ের পর এই জয়যাত্রায় বাধা পড়ে এবং হঠাৎ করে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে যাওয়া নিশ্চিত নয়।
ভারত বৃহস্পতিবার চেন্নাইয়ে সুপার এইটের দ্বিতীয় ম্যাচে জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হবে। যদি সেই দিনে প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারায়, তাহলে ভারতকে এক 'মাস্ট-উইন' পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে, সাথে নেট রান রেটও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যাবে। এই ধরনের পরিস্থিতি ভারতীয় দল অতীতে খুব কম দেখেছে, বিশেষ করে তরুণ ব্যাটারদের জন্য, যাদের সাফল্য মূলত উচ্চ ঝুঁকি নিয়ে রান তোলা এবং তা সফল করার ওপর নির্ভরশীল।
ব্যাটিং কোচ সিতাংশু কোটক বলেছেন, 'ভারতে বিশ্বকাপ মানেই চাপ। আন্তর্জাতিক কোনো খেলাই চাপবিহীন নয়। যদি কোনো ক্রিকেটার চাপ অনুভব না করে, বুঝবেন সে আসলেই ক্রিকেট খেলছে না। আমাদের কাজ হচ্ছে এই চাপকে ইতিবাচকভাবে মোকাবিলা করা।'
কোটক বলেন, দলের বেশিরভাগ খেলোয়াড় আইপিএলের প্লে-অফ ম্যাচের অভিজ্ঞ। যদিও অভিষেক শর্মা এবং তিলক ভার্মা এই মুহূর্তে ফর্মে নেই, কোচ তাদের উপর বিশ্বাসী।
ভারতের দল বৃহস্পতিবারও একই ধাঁচের আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলবে বলেও জানিয়েছেন কোটক। তিনি বলেন, 'কিছু দ্রুত উইকেট হারালে বা ব্যাটিংয়ে কিছু ভুল হলে তার মানে এই নয় যে আমরা আমাদের ধরন বদলাব। টি-টোয়েন্টিতে ইতিবাচক থাকাটাই সাফল্যের চাবিকাঠি।'
চেন্নাইয়ে উচ্চস্কোরের পরিস্থিতি অনুযায়ী ভারত বৃহস্পতিবার ম্যাচের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। কোটক বলেন, 'টি-টোয়েন্টিতে যদি খেলোয়াড় প্রথম বল থেকে সতর্ক হয়ে খেলেন, পাওয়ারপ্লে ব্যবহার করতে না পারেন, তাহলে স্কোর কমে যায়। পরিকল্পনা করে পরিস্থিতি অনুযায়ী রান তোলা এবং শট নেওয়াই গুরুত্বপূর্ণ।'
প্রকাশক : সোহেল রানা সম্পাদক: আব্দুস সামাদ সায়েম
©২০১৫-২০২৫ সর্বস্ত্ব সংরক্ষিত । তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত (নিবন্ধন নং-২১০)