সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে যমুনার নৌপথে নৌযান চলাচলে চাঁদাবাজি ও বাঁধা প্রদানের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা নৌযান শ্রমিক ও কর্মচারীবৃন্দ প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসুচী পালন করেন। মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলামের কাছে চাঁদাবাজি বন্ধসহ যমুনা নদীতে নির্বিঘ্নে নৌযান চলাচল করতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় সরকার কর্র্তৃক ইজারাকৃত বালুমহাল থেকে বালু নিয়ে বাল্কহেডের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন উপজেলায় উন্নয়নমুলক কাজের জন্য বালু সরবরাহ করা হয়। কিন্তু দু:খের বিষয় চৌহালী উপজেলার জোতপাড়া ঘাট দিয়ে বালু ভর্তি বাল্কহেড নিয়ে যাবার সময় কিছু অসাধু ব্যক্তি স্বার্থসিদ্ধির জন্য বাল্কহেড গতিরোধ করে এবং শ্রমিক-কর্মচারীদের মারপিট এবং তাদের কাছ থেকে নগদ টাকা ও মোবাইল কেড়ে নিয়ে বাল্কহেডে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে গত তিনমাস যাবত বালু পরিবহন করতে না পারায় মালিক-শ্রমিক ব্যবসায়ীরা চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ছে।
[caption id="attachment_9703" align="alignnone" width="1024"]
oplus_2097152[/caption]
বাল্কহেড মালিক আলামিন মন্ডল, অপু, সুজন মাহমুদ ও সরোয়ার হোসেন জানান, প্রতিটি বাল্কহেড সরকারকে ট্যাক্স দিয়ে যমুনার নৌপথে চলাচল করে। কোন অবৈধ বালু বহন করে না। কিন্তু চৌহালী উপজেলার জোতপাড়া এলাকার কিছু চিহ্নিত সন্ত্রাসী, নৌডাকাত বাল্ক হেডগুলো আটকিয়ে চাঁদা নেয়। এমনকি মোবাইল ও নগদ টাকা লুট করে নেয়। নৌদস্যুদের মারপিটে অনেকে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। তিনমাস যাবত কাজ না থাকায় কর্মচারীরা অনাহারে দিন কাটাচ্ছে। চৌহালী এলাকা দিয়ে বাল্কহেড ঢাকাসহ অন্যান্য জেলায় যেতে দিচ্ছে না। এতে প্রতিটি বাল্কহেড মালিক ও বালু ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। দেশের উন্নয়ন কাজ স্থবির হয়ে পড়ছে। তিনমাস যাবত এমন অত্যাচার-নির্যাতন করছে সন্ত্রাসীচক্র। আমরা অবিলম্বে নৌদস্যুদের দ্রুত গ্রেফতারপুর্বক নির্বিঘ্নে নৌযান চলাচলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
প্রকাশক : সোহেল রানা সম্পাদক: আব্দুস সামাদ সায়েম
©২০১৫-২০২৫ সর্বস্ত্ব সংরক্ষিত । তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত (নিবন্ধন নং-২১০)