জয়পুরহাটে ৩০ লক্ষাধীক টাকা মূল্যের কষ্টিপাথরের দুটি বিষ্ণু মূর্তি সহ পাচারকারী বিজিবির হাতে গ্রেফতার।মূর্তি দুটি উদ্ধার করেছেন জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি) এর বিশেষ টহলদলের সদস্যরা। আর এ সময় পাচারের অভিযোগে শহিদুল ইসলাম (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি-২০২৬) বিকেলে ২০ বিজিবি’র পক্ষ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এর আগে, এদিন দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টায় জেলার সদর উপজেলার হিচমী বাইপাস সংলগ্ন কোমর গ্রাম এলাকা থেকে ওই মূর্তি দুটি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতার শহিদুল ইসলাম গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কামদিয়া ইউনিয়নের রশিদনগর টুলট গ্রামের মৃত ময়েজ উদ্দিনের ছেলে বলে জানা গেছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি) এর অধিনায়ক লে: কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারীর নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানটি পরিচালিত হয়। শুক্রবার দুপুরের দিকে সদর থানাধীন হিচমী বাইপাস সংলগ্ন গোবিন্দগঞ্জ-জয়পুরহাট সড়কের একটি নির্জন স্থানে সাদা প্লাস্টিকের বস্তা নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন শহিদুল ইসলাম। বিজিবি টহলদলের সন্দেহ হলে তাকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার না করলেও পরে তিনি বস্তার ভেতরে অবৈধ কষ্টিপাথরের মূর্তি থাকার কথা স্বীকার করেন। এরপর বস্তা থেকে একটি বড় ও একটি ছোট আকারের বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার করা হয়।
বিজিবির দাবি, উদ্ধারকৃত বড় মূর্তির ওজন ২৮ কেজি ৫০০ গ্রাম এবং ছোটটির ওজন ২ কেজি ২০০ গ্রাম। উদ্ধারকৃত এই মূর্তি দুটির আনুমানিক সিজার (বাজার) মূল্য ধরা হয়েছে ৩০ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা।
অধিনায়ক লে: কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারী জানান, উদ্ধারকৃত মূর্তিগুলো এবং গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় চোরাচালান ও প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদ পাচার রোধে বিজিবির এ ধরনের কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা ।
প্রকাশক : সোহেল রানা সম্পাদক: আব্দুস সামাদ সায়েম
©২০১৫-২০২৫ সর্বস্ত্ব সংরক্ষিত । তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত (নিবন্ধন নং-২১০)