মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১১:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
খানসামায় বাড়ি বাড়ি জ্বরের রোগী, সেবা দিতে হিমশিমে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা  খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় সারিয়াকান্দি পৌর বিএনপির দোয়া মাহফিল নীলফামারীর ডিমলায় পাটচাষি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত। রান্ধুবীবাড়িতে হিন্দু ব্যক্তিকে ভয়ভীতি ও ধমক উচ্ছেদের নোটিশ পেয়েই স্ট্রোকে নিহত স্বাধীন গণমাধ্যমে হুমকি ও কণ্ঠ রোধের অপচেষ্টা,প্রতিবাদে রাজশাহীতে মানববন্ধন বঙ্গবন্ধু সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় ৩ কোটি টাকার টোল আদায় মারা গেছেন সেই ‘জল্লাদ’ শাহজাহান তিস্তা নিয়ে শেখ হাসিনাকে মোদির আশ্বাস! উষ্মা জানিয়ে দিল্লিকে চিঠি পশ্চিমবঙ্গের খানসামা উপজেলায় ল্যাট্রিন পেয়ে খুশি ১৬ দরিদ্র পরিবার ‘ন্যায়কুঞ্জ’ স্থাপনে বিচারপ্রার্থী মানুষের কষ্ট লাঘব হবে : প্রধান বিচারপতি

চিরকুটে ভাই-ভাবিকে দায়ী করে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা!

রিপোর্টারের নাম / ২১১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট করা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:
চিরকুটে বড় ভাই-ভাবিকে নিজের মৃত্যুর জন্য দায়ী করে নিজ দোকানে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন প্রদীপ কুমাব দেব নামে এক ব্যবসায়ী।


মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার মশিপুর সরিষাকোল মাদ্রাসা বাজারের মুদি দোকান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রদীপ কুমার (৪৫) ওই বাজারের প্রদীপ স্টোরের মালিক ও দুর্গাদহ গ্রামের মৃত মনোরঞ্জন দেবের ছেলে।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে বাড়ি থেকে দোকানের উদ্দেশ্যে বের হন প্রদীপ। এরপর দুপুরে খাবারের জন্য তিনি বাড়িতে না ফেরায় বিকেলে স্বজনেরা তার খোঁজ করতে থাকেন। সন্ধ্যার দিকে দোকানে গিয়ে দেখা যায় সাটার বন্ধ, কিন্তু তালা দেওয়া নেই। পরে সাটার তুলে দোকানের ভেতরে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি নামিয়ে সুরুতহাল রিপোর্ট প্রস্তুতের সময় পকেটে একটা চিরকুট দেখতে পান। সেখানে ‘আমার মৃত্যুর জন্য বড় ভাই ও ভাবি দায়ী’ একই কথা মোট ৮ বার লেখা ছিল। চিরকুটে প্রদীপ কুমারের স্বাক্ষরও ছিল।


নিহতের স্ত্রী চম্পা রানী অভিযোগ করে বলেন, আমার ভাসুর ও তার স্ত্রী ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আমাদের ঘর ভাঙার জন্য চাপ সৃষ্টি করছিল। এই কারণে আমার স্বামী মানুষিকভাবে ভেঙে পড়েছিল। তাদের অত্যাচারে তিনি রাতে ঘুমাতেও পারতেন না। তাদের অত্যাচারের কারণেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন।


শাহজাদপুর থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম মৃধা বলেন, প্রদীপ কুমার ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। বিভিন্ন এনজিওতে সপ্তাহে প্রায় ৭-৮ হাজার টাকা কিস্তি দিতে হতো। এসব কারণে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তার পকেটে পাওয়া চিরকুটে বড় ভাই ও বৌদিকে অভিযুক্ত করার বিষয়ে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। আজ মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
Theme Created By Limon Kabir