বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০৫:০৩ অপরাহ্ন
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

সলঙ্গায় বিলের মুখ বন্ধ, ৩০০ বিঘা জমিতে জলাবদ্ধতার শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ১৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার হাটিকুমরুল ইউনিয়নের চড়িয়া মধ্যপাড়া এলাকায় বিলের পানি নিষ্কাশনের মুখ বন্ধ করে বিল্ডিং নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এতে আশপাশের প্রায় ৩০০ বিঘা আবাদি জমি স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধ হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় কৃষকরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাটিকুমরুল-নাটোর বনপাড়া মহাসড়কের আমতলা এলাকায় একটি বিল্ডিং নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ওই নির্মাণ কাজের সময় বিলের পানি বের হওয়ার মূল ব্রিজের মুখ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় হাটিকুমরুল ইউনিয়নের চড়িয়া মধ্যপাড়া গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে হেলাল ও তার ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা।

এর ফলে ওই এলাকার আশপাশের প্রায় ৩০০ বিঘা আবাদি জমিতে পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে। কৃষকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে বিলের পানি বের হওয়ার একমাত্র পথ ছিল ওই ব্রিজের মুখটি। সেটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জমিতে জমে থাকা পানি আর বের হতে পারছে না।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এলাকার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি অপরিকল্পিতভাবে বিল্ডিং নির্মাণ করায় পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। বিষয়টি নিয়ে কৃষকরা একাধিকবার বিল্ডিং মালিকদের কাছে অভিযোগ করলেও এখনো কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি।

চড়িয়া মধ্যপাড়া গ্রামের কৃষক শুকুর আলী বলেন, “এই জমিতে আগে বছরে তিন ধরনের ফসল হতো। এখন শুধু শুকনো মৌসুমে বোরো ধান ছাড়া আর কোনো ফসল হয় না। ব্রিজের মুখ বন্ধ থাকার কারণে পানি নামতে পারে না। ফলে দুই গ্রামের কৃষিজমি বছরে চার থেকে ছয় মাস পানির নিচে থাকে।”
স্থানীয় কৃষকরা দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে কৃষিজমি রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বিডিং নির্মাণ কারী হেলাল আহমেদের সাথে কথা হলে তিনি প্রতিবেদককে বলেন, আমার জায়গায় আমি বিডিং নির্মাণ করছি ।কৃষি জমিতে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থার কথা বললে, তিনি আরও বলেন এটাকি কৃষকের বাপের জায়গা দিয়া পানি গরক, আমি কি করবো, আমার জায়গা একচুলও সার দিবোনা।

সিরাজগঞ্জ জেলা সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ইমরান ফারহান সুমেল বলেন,আমাদের লোকজন দেখে ব্যবস্থা নিবে।

এবিষয়ে উল্লাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুবর্ণা ইয়াসমিন সুমি বলেন,কৃষকরা অভিযোগ করলে,ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এবিষয়ে উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)এটি এম আরিফ এর সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার ফোনটি রিসিভ হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর