নামাজ একটি ফরজ ইবাদত। একে প্রধান ইবাদত বললেও অত্যুক্তি হবে না। ইসলাম পাঁচটি ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। এর দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হলো নামাজ। ইমানের পরই যার অবস্থান। কেয়ামতের দিন আল্লাহ বান্দার আরও পড়ুন
মানুষের নেক আমল ধ্বংস হওয়ার জন্য কুধারণাই যথেষ্ট। ইসলামে অন্যের প্রতি কুধারণা পোষণ করা হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। পবিত্র কোরআনে বিস্তারিতভাবে বিষয়টি বর্ণিত হয়েছে। বলা হয়েছে, ‘হে ইমানদারগণ, বেশি ধারণা
জুমা সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন। বৃহস্পতিবার সূর্যাস্তের পর থেকে শুক্রবার সূর্যাস্ত পর্যন্ত জুমার পরিধি। শুধু জুমার নামাজ আদায় করাকেই জুমার একমাত্র আমল মনে করার কোনো অবকাশ নেই, বরং জুমার রাত ও
মহানবী মুহাম্মদ (সা.) শুধু সব নবী ও রাসুলের মধ্যে শ্রেষ্ঠ নন; বরং গোটা সৃষ্টির মধ্যেও তিনি সর্বাধিক মর্যাদাশীল এবং আল্লাহর কাছে সম্মানিত। এখানে তাঁর শ্রেষ্ঠত্বের কিছু প্রমাণ সংক্ষেপে উল্লেখ করা
বিশ্বনবী (সা.) তাঁর জীবনের সর্বশেষ মুহূর্তে সাহাবিদের মসজিদে নামাজের কাতারে সারিবদ্ধ দেখে মুচকি হেসেছিলেন। এটাই ছিল তাঁর পবিত্র জীবনের সর্বশেষ হাসি এবং সর্বশেষ আনন্দ। এর কারণ উল্লেখ করে হাদিসবিশারদগণ লিখেছেন,
মানুষের জীবনে সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো ইমান। ইমানের অনেক শাখাপ্রশাখা আছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো লজ্জা। যার লজ্জা আছে তার ইমান আছে; যার লজ্জা নেই তার ইমানও নেই। এ বিষয়ে
জীবনজীবনমান উন্নত হওয়ার কামনা সবার। সবাই চায় একটু ভালো থাকতে। কষ্ট, দারিদ্র্য, সংকট কেউ চায় না। কিন্তু মানুষ যা চায় সবই কি পায়? অনেককেই পেয়ে বসে ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও আর্থিক
পথভোলা মানুষকে আল্লাহর পথে আনার কাজই দাওয়াতে তাবলিগের কাজ। এ কাজ কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়। এ কাজ মহান আল্লাহ কর্তৃক প্রেরিত মহাপুরুষ নবী-রসুলদের কাজ। বিদায় হজের ভাষণে নবীজি (সা.)