রমজান একটি মহিমান্বিত মাস। মহান আল্লাহ তাআলা এই মাসে অগণিত নিয়ামত ও অনুগ্রহ দান করেছেন, যার ফলে মুসলমানদের হৃদয়ে রমজান এক বিশেষ মর্যাদা ও গভীর ভালোবাসার স্থান দখল করে আছে। আরও পড়ুন
রাসুল (সা.) রমজান সম্পর্কে আমাদের শুধু কিছু বিধান দিয়ে যাননি; তিনি উম্মতকে শিখিয়ে গেছেন—এই মাসকে কিভাবে গ্রহণ করতে হয়, কিভাবে প্রস্তুত হতে হয় এবং কিভাবে আল্লাহর আরো কাছাকাছি যেতে হয়।
ইসলাম ইবাদত-বন্দেগিসহ সব বিধানেই অত্যন্ত সাদাসিধা ও সহজ নীতি রেখেছে। নামাজ-রোজা ও হজ-জাকাতের সময়, কিবলা নির্ণয়, চাঁদ দেখা ইত্যাদির বিধান মুশাহাদা তথা প্রত্যক্ষ দর্শনের ওপরই নির্ভরশীল রেখেছে। আর যখন বা
রমজান ইবাদতের বসন্ত এবং আল্লাহর সান্নিধ্য ও ভালোবাসা অর্জনের মৌসুম। আর কোনো আমল আল্লাহর দরবারে তখনই পরিপূর্ণ ইবাদত হিসেবে গণ্য হয় যখন তা মহানবী (সা.)-এর নিদের্শনা অনুসারে আদায় করা হয়।
‘সাহরি’ শব্দটি এসেছে ‘সাহর’ থেকে, যার অর্থ শেষ রাত বা ভোররাত। ফজরের আগমুহূর্তে রোজা পালনের নিয়তে যে খাবার গ্রহণ করা হয় তাকে সাহরি বলা হয়। ইসলামে সাহরির মূল উদ্দেশ্য হলো
রমজান রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস। এ মাসে নেক আমলের সওয়াব বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়। তাই শুধু নিজের ইবাদতে সীমাবদ্ধ না থেকে অন্যের ইবাদতে সহযোগিতা করাও রমজানের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। রোজাদারকে
পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে ওমরাহ পালনকারীদের নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে নতুন ব্যাপকভিত্তিক নির্দেশিকা জারি করেছে সৌদি আরব। ১৪৪৭ হিজরি সালের রমজানে ভিড় সামলাতে এবং শৃঙ্খলার
ইবাদত কবুল হওয়ার অন্যতম শর্ত হলো নিয়ত। শুধু না খেয়ে থাকলেই তা রোজা হিসেবে গণ্য হবে না—রোজা শুদ্ধ হওয়ার জন্য নিয়ত করা আবশ্যক। তাই নিয়তের সময় ও নিয়ম জানা জরুরি।