মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
শিবিরের অভিযোগ: ছাত্রলীগকে ফিরিয়ে আনতে ছাত্রদলের চক্রান্ত, রাবিতে দিনভর উত্তেজনা,আহত ৪ জয়পুরহাটে সরকারি মুরগি খামার চলছে হামাগুড়ি দিয়ে জয়পুরহাটে সৎ মা হত্যা মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন মোহাম্মদপুরে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান,গ্রেফতার ২৫ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ১৬ ডিসেম্বর উদ্বোধনের পথে শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল আনসারের তৎপরতায় বিমানবন্দরে হারানো মূল্যবান ব্যাগ ফিরে পেলেন প্রবাসী সাড়ে সাত বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ৭ হাজার ৩৬৪ শিক্ষার্থীর বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি দারিদ্র্যের কাছে আটকে আছে যমজ শিশু জয়নব ও উম্মে কুলসুমের নতুন জীবনের স্বপ্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে সিইসি
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

সাড়ে সাত বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ৭ হাজার ৩৬৪ শিক্ষার্থীর

অনলাইন ডেস্ক: / ৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬

দেশে ২০১৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সাড়ে সাত বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ হাজার ৩৬৪ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সড়ক দুর্ঘটনায় মোট নিহত ৪৮ হাজার ৭১৩ জনের মধ্যে শিক্ষার্থীর হার ১৫ দশমিক ১১ শতাংশ।

মঙ্গলবার রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ৩ হাজার ৩২৮ জন এবং ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ৪ হাজার ৩৬ জন।

যানবাহনভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মোটরসাইকেলের চালক বা আরোহী হিসেবে সবচেয়ে বেশি ৩ হাজার ৮৪১ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া পথচারী হিসেবে ১ হাজার ৯২৩ জন, বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রী হিসেবে ৯২৭ জন, সাইকেল ও রিকশার আরোহী হিসেবে ৫১৯ জন এবং অটোরিকশার চাকায় ওড়না বা পোশাক পেঁচিয়ে ১৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সড়কভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, আঞ্চলিক সড়কে সবচেয়ে বেশি ২ হাজার ১৪৯ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। এর পর গ্রামীণ সড়কে ১ হাজার ৯৪৭ জন, শহরের সড়কে ১ হাজার ৭৮৬ জন এবং মহাসড়কে ১ হাজার ৪৮২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, একই সময়ে অসাবধানতাবশত রেললাইন পারাপার বা কানে হেডফোন ব্যবহার করে রেললাইন ধরে হাঁটার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে আরও ১ হাজার ২৩৭ জন শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মতে, ত্রুটিপূর্ণ সড়ক, অনিরাপদ যানবাহন, সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতার অভাব, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণের ঘাটতি, বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো, ট্রাফিক আইন অমান্য এবং দুর্বল সড়ক ব্যবস্থাপনা শিক্ষার্থীদের প্রাণহানির অন্যতম কারণ।

সংস্থাটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক প্রচার, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, পাঠ্যক্রমে সড়ক নিরাপত্তা অন্তর্ভুক্তি, গণমাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচারণা, অনিরাপদ যানবাহন চলাচল বন্ধ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশে নিরাপদ সড়ক অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের মোটরসাইকেল চালানো রোধে কঠোর আইন প্রয়োগের সুপারিশ করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২০১৮ সালের নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের আট বছর পেরিয়ে গেলেও সড়ক পরিবহন খাতে কার্যকর শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি। কমিটি গঠন ও সুপারিশের বাইরে বাস্তবায়নে ঘাটতি থাকায় দুর্ঘটনা কমাতে দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত উদ্যোগ এখনো প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর