বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, ইরান যুদ্ধের শুরুর পর পাম্পগুলোতে আগের মতোই তেল সাপ্লাই রয়েছে। কোথাও কোথাও আগের চেয়ে চারগুন তেল দেয়া হচ্ছে। তারপরেও সংকট কেন? এর কারন মানুষ প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত তেল নিয়ে যাচ্ছে। অসাধু অনেকেও জ্যারিকেন ও ড্রামে করে তেল নিয়ে যাচ্ছে। আর এগুলো ব্ল্যাক মার্কেটিং করে বেশী দামে বিক্রি করে লাভবান হচ্ছে। আর এ কাজগুলো করছে আমাদের বিরোধী পক্ষের লোকজন। বুধবার রাত ১১টায় সিরাজগঞ্জ শহরের মিরপুর ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি পাম্পের জানুয়ারী-ফেব্রুয়ারীর রেজিস্টার চেক করে দেখেন ওই মাসগুলোতে যেখানে গড়ে একদিনে ১ হাজার লিটার পেট্টোল চাহিদা ছিল সেখানে বর্তমানে চারগুন তেল দেয়ার পরও সংকট দেখা দিচ্ছে। এর মুল কারন হলো-তেল নিয়ে ব্লাক মার্কেটিং করা হচ্ছে। পরিদর্শন কালে অনেকগুলো মোটরসাইকেল চেক করে দেখেন তিনি। কয়েকটি মোটসাইকেলে ৪-৫ লিটার তেল থাকা সত্ত্বেও পুনরায় তেল নেয়ার জন্য ভীড় করছেন। মানুষ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল নিয়ে যাচ্ছে। এ সময় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আপনারা এ কাজ পরিহার করুন। তেল ব্যবহারে সাশ্রয়ী হোন। সাশ্রয়ী না হলে ভর্তুকি দেয়া সরকারের সম্ভব হবে না। মোটরসাইকেল ওয়ালারা তেল নিয়ে ব্লাক মার্কেটিং করছে বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, সরকার কস্ট করে গোটা পৃথিবী থেকে ভুর্তুকি দিয়ে তেল নিয়ে এসে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছে। কিন্তু কিছু অসাধু মানুষ তেল চোরাই বাজারে বিক্রি করার জন্য তেল নেয়ার জন্য পেট্টোল পাম্পে ভীড় করছে। সেটা বন্ধ করার জন্য এতো রাতে পে্েট্টাল পাম্পে এসেছি। পেট্টোল পাম্পে এসে দেখলাম তেল থাকা সত্বেও তেল নেয়ার জন্য ভীড় করছে। মুলত এরাই ব্লাক মার্কেটিংয়ের সাথে জড়িত।
তিনি বলেন, জনগনের কাছে আমার আবেদন যার যতটুকু প্রয়োজন আপনারা ততটুকুই তেল নিবেন। পরিদর্শনকালে তিনি মোটরসাইকেলের লাইসেন্স চেক করে সর্বোচ্চ ৫ লিটার করে তেল দেয়ার নির্দেশ দেন তিনি। এ সময় জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মামুন খানসহ প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।