শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
রাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে অপহরণ-হত্যাচেষ্টার মামলা: ১৭ দিনেও গ্রেফতার নন অভিযুক্ত গাজীপুরে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে, থানায় মামলা রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণ দিবস পালিত কামারখন্দে গোয়ালঘরের তালা ভেঙে সাতটি গরু চুরি শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর সরকার, নতুন বিধিমালা বাস্তবায়নে গণবিজ্ঞপ্তি ‘বাংলাদেশ হারিয়ে যাচ্ছিল, এখন আবার ফিরে আসছে’ বোরকা পরা নারীর ইশারায় বাসে হানা দেয় ডাকাতেরা, ১৫-২০ মিনিটে ৫৭ লাখ টাকা লুট রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণ দিবস পালিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ইসিতে ভোটার তালিকা পাঠিয়েছে সংসদ বিদেশি কর্মীদের ব্যক্তিগত নিয়োগকর্তার অধীনে স্থানান্তরের সুযোগ চালু করল সৌদি আরব
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

আশা ভোঁসলের যে রেকর্ড আজও কেউ ভাঙতে পারেননি

অনলাইন ডেস্ক: / ৭০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

ভারতীয় সংগীতের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী আশা ভোঁসলে দীর্ঘ ক্যারিয়ারে গড়ে তুলেছেন এমন এক রেকর্ড, যা আজও অক্ষত। ২০টিরও বেশি ভাষায় ১২ হাজারেরও বেশি গান গেয়ে তিনি স্থান করে নিয়েছেন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে, যা বিশ্বের অন্যতম সর্বাধিক রেকর্ড করা কণ্ঠশিল্পীর স্বীকৃতি।

‘মেলোডি কুইন’ হিসেবে পরিচিত আশা ভোঁসলে প্রেম, রোমান্স ও বিরহের অসংখ্য জনপ্রিয় গান উপহার দিয়ে শ্রোতাদের হৃদয় জয় করেছেন সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে।

মাত্র ১০ বছর বয়সে মারাঠি চলচ্চিত্র ‘মাজা বাল’–এ প্লেব্যাকের মাধ্যমে সংগীতজগতে তাঁর যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে ১৯৪৮ সালে হিন্দি সিনেমা ‘চুনারিয়া’–এর গান দিয়ে বলিউডে প্রবেশ করেন তিনি।

আর. ডি. বর্মন, ও. পি. নাইয়ার ও শচীন দেব বর্মনের মতো কিংবদন্তি সুরকারদের সঙ্গে কাজ করে তিনি সৃষ্টি করেছেন অসংখ্য কালজয়ী গান। বিশেষ করে আর. ডি. বর্মনের সঙ্গে তাঁর জুটি বলিউড সংগীতে এক নতুন ধারার জন্ম দেয়।

আশার গাওয়া জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘পিয়া তু আব তো আজা’, ‘চুরা লিয়া হ্যায় তুম নে জো দিল কো’, ‘ইন আঁখো কি মস্তি’, ‘ও মেরা সোনা রে’ ও ‘জওয়ানি জানে মন’।

সংগীত জীবনে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি পেয়েছেন দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার ও পদ্মভূষণ সম্মান। ১৯৯৭ সালে গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডের জন্যও মনোনীত হয়েছিলেন এই কিংবদন্তি শিল্পী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর