সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৯ অপরাহ্ন
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

ব্রাজিল নরওয়ে ম্যাচ নিয়ে যা জানাল সুপার কম্পিউটার

অনলাইন ডেস্ক: / ১৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬
-সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর অন্যতম আকর্ষণীয় লড়াইয়ে রবিবার মুখোমুখি হবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল ও ইউরোপের শক্তিশালী দল নরওয়ে। ম্যাচটি ঘিরে উত্তেজনার পারদ চড়লেও পরিসংখ্যান ও সম্ভাবনার হিসাব বলছে, এগিয়ে আছে ব্রাজিলই।

ফুটবলের পরিসংখ্যানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান অপ্টার সুপার কম্পিউটার ম্যাচটি নিয়ে ২৫ হাজারবার সিমুলেশন চালিয়ে দেখেছে, নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ব্রাজিলের জয়ের সম্ভাবনা ৫৩ দশমিক ৬ শতাংশ। নরওয়ের জয়ের সম্ভাবনা ২২ দশমিক ৪ শতাংশ। আর ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর সম্ভাবনা ২৪ শতাংশ।

শুধু ম্যাচ জেতাই নয়, শেষ আটে ওঠার দৌড়েও পরিষ্কারভাবে এগিয়ে ব্রাজিল। সুপার কম্পিউটারের হিসাবে তাদের কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার সম্ভাবনা ৬৫ দশমিক ৬ শতাংশ। অন্যদিকে নরওয়ের সম্ভাবনা ৩৪ দশমিক ৫ শতাংশ। এই ম্যাচের বিজয়ী শেষ আটে খেলবে ইংল্যান্ড অথবা মেক্সিকোর বিপক্ষে।

বিশ্বকাপের ইতিহাসও ব্রাজিলের পক্ষেই কথা বলছে। শেষ ষোলোর নিজেদের সর্বশেষ ১০ ম্যাচের মধ্যে ৯টিতেই জয় নিয়ে পরের ধাপে উঠেছে সেলেসাওরা। শুধু ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার কাছে ১-০ গোলে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের।

অন্যদিকে, নরওয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে নাটকীয় জয় দিয়ে। আইভরি কোস্টের বিপক্ষে ৮৬তম মিনিটে আর্লিং হালান্ডের গোলে ২-১ ব্যবধানে জিতে ইতিহাস গড়ে তারা। এটি ছিল বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে নরওয়ের প্রথম জয়। এর আগে, ১৯৩৮ ও ১৯৯৮ সালে দুটি নকআউট ম্যাচ খেললেও দুবারই ইতালির কাছে হেরে বিদায় নিয়েছিল তারা।

ব্রাজিলও অবশ্য সহজে শেষ ষোলো পেরোয়নি। জাপানের বিপক্ষে ২-১ গোলের কঠিন জয় তুলে নেয় তারা। জাপানের হয়ে কাইশু সানো গোল করে এগিয়ে দিলেও কাসেমিরো সমতা ফেরান। এরপর ম্যাচের শেষ মুহূর্তে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির জয়সূচক গোলে স্বস্তির জয় পায় ব্রাজিল।

মার্তিনেল্লির সেই গোলের পেছনে ছিল ব্রুনো গিমারায়েসের নিখুঁত পাস। চলতি বিশ্বকাপে এটি ছিল তার চতুর্থ অ্যাসিস্ট। ১৯৬৬ সালের পর এক বিশ্বকাপে ব্রাজিলের হয়ে এর চেয়ে বেশি অ্যাসিস্ট করতে পেরেছেন শুধু কিংবদন্তি পেলে, যিনি ১৯৭০ সালের আসরে ছয়টি অ্যাসিস্ট করেছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর