বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে যাত্রীর কাছ থেকে উদ্ধার বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ রাজশাহী নগরীতে চোরাই ল্যাপটপ ও একডজন মোবাইল ফোন সহ গ্রেফতার ২ রাজশাহীতে মাদক কারবারি সহ গ্রেপ্তার ৩৩ নওগাঁয় মাদক সেবনের দায়ে  ছয়জনের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড কাজিপুরে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে  শিক্ষার্থীদের মাঝে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিতরণ সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা যুবদলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সিরাজগঞ্জে পুলিশের গাড়ির সামনেই নিষিদ্ধ যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল রাজধানীতে মাদকসহ তিনজন, ছিনতাইয়ের চেষ্টায় একজন গ্রেফতার বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্বে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ জার্মানি ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ২৪ ঘণ্টায় ডিএমপির ২৪৪৬ মামলা
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

কথা না শুনলে টিভি চ্যানেল বন্ধ, ওবায়দুল কাদেরকে আরাফাত

অনলাইন ডেস্ক: / ৭৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬
-ওবায়দুল কাদের ও মোহাম্মদ এ আরাফাত। ফাইল ছবি

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থান দমনে তৎকালীন সরকারের পরিকল্পিত কৌশলের এক চাঞ্চল্যকর অডিও প্রমাণ আজ ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করবে প্রসিকিউশন। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং তৎকালীন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাতের মধ্যকার এই ফোনালাপটি ওবায়দুল কাদেরসহ যুবলীগ-ছাত্রলীগের সাত নেতার বিরুদ্ধে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার যুক্তিতর্ক শুনানিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি হিসেবে দাখিল করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আজ মামলাটি প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য রয়েছে।

ফোনালাপে দেখা যায়, জুলাই মাসে আন্দোলন দমনে সরকারের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমের ওপর সেন্সরশিপ আরোপ করা হয়েছিল। মোহাম্মদ এ আরাফাত ওবায়দুল কাদেরকে নিশ্চিত করেন যে, সংঘাত বা মারামারির কোনো ভিডিও ফুটেজ বা ছবি প্রচার করলে সংশ্লিষ্ট টিভি চ্যানেলকে ‘এনিমি অফ দা স্টেট’ (রাষ্ট্রের শত্রু) হিসেবে ঘোষণা করে চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া হবে। এই প্রক্রিয়া দ্রুত কার্যকর করার জন্য বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট কর্তৃপক্ষকে বিশেষ ‘ঢালাও পারমিশন’ দেওয়া হয়েছিল, যাতে কোনো উচ্চতর অনুমতি ছাড়াই তারা তাৎক্ষণিকভাবে যেকোনো চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ করে দিতে পারে।

আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে সরকারের উচ্চপর্যায়ে একটি সুনির্দিষ্ট কৌশল বা ‘ন্যারেটিভ’ তৈরি করা হয়েছিল। আরাফাত ফোনালাপে উল্লেখ করেন যে, তারা আন্দোলনকারীদের দুই ভাগে ভাগ করেছেন। এক পক্ষ হলো সাধারণ ছাত্র যাদের সাথে সরকার আলোচনা করছে, আর অন্য পক্ষ হলো ‘জামাত-বিএনপি সন্ত্রাসী’ যাদের কঠোরভাবে দমন করা হবে। আরাফাত এই সুপরিকল্পিত বিভাজনকে একটি ‘সুন্দর ভাগ’ হিসেবে অভিহিত করেন।

কথোপকথন থেকে আরও জানা গেছে, এই পুরো দমনমূলক কর্মকাণ্ড সরাসরি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী (যাকে ফোনালাপে ‘নেত্রী’ সম্বোধন করা হয়েছে) এবং ওবায়দুল কাদেরের সমন্বয়ে পরিচালিত হচ্ছিল। ওবায়দুল কাদের সেই সময় দলীয় কার্যালয় থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছিলেন এবং গণভবনে আলোচনার জন্য আরাফাতকে তলব করেছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর