বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৩ পূর্বাহ্ন
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ছাড়াল ৪৭০০ কোটি ডলার

অনলাইন ডেস্ক: / ৪২ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় ৪ হাজার ৭০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। পেন্টাগনের এক হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধের ব্যয় গত জুলাইয়ে দেওয়া প্রতিরক্ষা দপ্তরের প্রাক্কলনের চেয়ে ২৫ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে।

মঙ্গলবার রয়টার্সের হাতে আসা পেন্টাগনের তথ্যের বরাতে এ খবর প্রকাশ করা হয়।

পেন্টাগনের হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধে ব্যবহৃত গোলাবারুদ ও ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত পূরণ করতে ২ হাজার ৯০০ কোটি ডলারের বেশি প্রয়োজন হবে। এ ছাড়া হারানো সামরিক সরঞ্জাম ও ক্ষতিগ্রস্ত যুদ্ধবিমানসহ অন্যান্য সামরিক প্ল্যাটফর্ম প্রতিস্থাপনে আরও ৬০০ কোটি ডলারের বেশি লাগতে পারে।

তবে যুদ্ধের কারণে ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো মেরামতের সম্ভাব্য বিপুল ব্যয় এই হিসাবের মধ্যে স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

গত জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ যুদ্ধের ব্যয় ৩ হাজার ৭৫০ কোটি ডলার বলে জানিয়েছিলেন। নতুন হিসাব সেই পরিমাণকে ছাড়িয়ে গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ পরিচালনার ব্যয়ের মধ্যে রয়েছে সামরিক উড্ডয়ন কার্যক্রম, সাইবার সহায়তা এবং বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ব্যবহারের খরচ। যুদ্ধে বিপুল পরিমাণ ড্রোনসহ সামরিক সরঞ্জাম হারানোর বিষয়টিও ব্যয় বাড়িয়েছে।

ফেব্রুয়ারিতে ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুরুতে তিনি স্বল্প সময়ের মধ্যে সংঘাত শেষ হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। তবে যুদ্ধের প্রভাব এখন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ও রাজনীতিতেও পড়ছে।

বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমেছে এবং আসন্ন ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থীরা রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়েছেন। কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই দলটির সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে, তবে তা খুবই সীমিত।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র শুরুতে ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করতে ব্যয়বহুল ও নির্ভুল নিশানায় আঘাত হানতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে। পরে তুলনামূলক কম ব্যয়বহুল অস্ত্র ব্যবহারের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু এপ্রিলে যুদ্ধবিরতির সুযোগে ইরান ভূগর্ভস্থ অস্ত্রের মজুত ও কিছু প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আবার সক্রিয় করে।

পরবর্তী সময়ে ইরানের তেল রপ্তানি থেকে আয় কমাতে দেশটির ওপর নৌ অবরোধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। যুদ্ধ আবার জোরদার করার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি ট্রাম্প। তবে যুদ্ধের মোট ব্যয় শেষ পর্যন্ত কত দাঁড়াবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

সূত্র : রয়টার্স


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর