শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:২৯ অপরাহ্ন
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

রাজউক–রূপায়ণ যোগসাজশে জমি দখল ও ব্যাংক ঋণ জালিয়াতির অভিযোগে দুদকের মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা / ১৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৬



হাজার কোটি টাকা লোপাট, জমি দখল, ব্যাংক ঋণ জালিয়াতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)-এর ৩৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ রূপায়ণ গ্রুপের মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলায় রূপায়ণ গ্রুপের ছয় জনসহ মোট ৪৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।

দুদক সূত্র জানায়, লিখিত অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় গত ২২/০১/২৬ তারিখ আনুষ্ঠানিকভাবে মামলাটি রুজু করা হয়। তদন্ত নম্বর ৪৩।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, রাজধানীর গুলশানসহ বিভিন্ন এলাকায় সরকারি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি অবৈধভাবে দখল করে রূপায়ণ গ্রুপ বহুতল ভবন নির্মাণ করে। এসব অবৈধ ভবনের নকশা অনুমোদন, প্ল্যান পাশ এবং দখল সংক্রান্ত অনিয়মে রাজউকের একাধিক কর্মকর্তা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া নির্মিত ভবন ও সম্পত্তি বিভিন্ন ব্যাংকে বন্ধক রেখে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার বেশি ঋণ গ্রহণ করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, একই সম্পত্তি একাধিক ব্যাংকে মর্টগেজ দেখিয়ে নতুন করে ঋণ নেওয়া হয় এবং এর একটি বড় অংশ বিদেশে পাচার করা হয়েছে।

দুদকে দেওয়া আবেদনে আরও বলা হয়, অনেক ক্ষেত্রে ভবন ও ফ্ল্যাট বিক্রি করা হলেও তা গোপন রেখে পুনরায় ঋণ গ্রহণ করা হয়েছে, যা ব্যাংকিং খাতের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করেছে।

আবেদনকারী তার লিখিত অভিযোগে রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান, পরিচালক, সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্য, সুবিধাভোগী ব্যক্তি এবং রাজউকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, পাসপোর্ট নম্বর ও ঠিকানাসহ বিস্তারিত তথ্য সংযুক্ত করেন।

দুদকের চেয়ারম্যান বরাবর দেওয়া আবেদনে আবেদনকারী বলেন, “এই দুর্নীতি ও অর্থপাচারের কারণে সরকার ও দেশের ব্যাংকিং খাত ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পড়েছে। দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।”
এর আগে অভিযোগপত্রের অনুলিপি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, রাজউক চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (BFIU) এবং পুলিশের মহাপরিদর্শকের কাছেও পাঠানো হয়।

দুদক সূত্র জানায়, মামলার পর আসামিদের ব্যাংক হিসাব, শেয়ার, স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ও বিদেশে পাচার করা অর্থ জব্দের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযুক্তদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর