বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৫৭ অপরাহ্ন
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

‘তাহলে এতদিন তামাশার কী দরকার ছিল, আমরা কেন হাসির পাত্র হলাম’

অনলাইন ডেস্ক: / ৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
-সংগৃহীত ছবি

বলিউডের ‌‌‌‌‘হিরো নম্বর ওয়ান’ খ্যাত অভিনেতা গোবিন্দের বিরুদ্ধে স্ত্রী সুনীতা আহুজার দায়ের করা বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভিনেতার দীর্ঘদিনের ম্যানেজার শশী সিনহা। বুধবার (১৯ আগস্ট) বান্দ্রার একটি ফ্যামিলি কোর্টের বাইরে সুনীতা ও তাদের ছেলে যশবর্ধনকে দেখা গেলেও তারা উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি।

এই আইনি প্রক্রিয়ার ইতি টানার ঘটনায় স্বস্তি প্রকাশের পাশাপাশি বিগত দেড়-দুই বছর ধরে চলা তীব্র মিডিয়া ট্রায়াল ও পরিবারের মান-সম্মানহানি নিয়ে গভীর হতাশা প্রকাশ করেছেন অভিনেতার প্রতিনিধি।

ঘটনার পরপরই ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির সঙ্গে আলাপকালে শশী সিনহা বলেন, আমি বলছি যে, যদি শেষ পর্যন্ত আজ এটিই হওয়ার ছিল, তবে বিষয়টিকে এতদূর গড়িয়ে নিয়ে গিয়ে এখন মামলা ফিরিয়ে নেওয়ার আবেদন কেন করা হলো? আইনি আবেদন প্রত্যাহার অবশ্যই একটি আনন্দের সংবাদ, কিন্তু আমাকে কষ্ট দেয় যা তা হলো—গত দেড় থেকে দুই বছর ধরে মিডিয়ায় যে তামাশা চলেছে, সেই পরিস্থিতির তো কোনো প্রয়োজনই ছিল না।

পারিবারিক বিতর্ক প্রকাশ্যে আনা এবং বাজারের গুঞ্জনে পারিবারিক ভাবমূর্তি নষ্ট হওয়া নিয়ে তীব্র আক্ষেপ প্রকাশ করেন শশী। তিনি আরও যোগ করেন, আমরা তো সাধারণ মানুষের মতো রাস্তায় নেমে পড়তে পারি না। বাজারে আমাদের যে সম্মান ক্ষুণ্ণ হলো, তা তো অন্তত এড়ানো যেত। বিরোধ অনেকের মধ্যেই হয়, ঝগড়া-বিবাদ লেগেই থাকে এবং মানুষ তা মেটায়। কিন্তু বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ালে পুরো পৃথিবী জেনে যায়। আর পৃথিবী কি শেষ পর্যন্ত বিষয়টি জানল না? বিশ্বের কাছে এটি জানার কোনো প্রয়োজন ছিল না। ঘরের বিষয় ঘরে বসে কথা বলে সমাধান করা সম্ভব। আজ যদি প্রত্যাহারই করতে হলো, তবে কেন মামলাটি করা হয়েছিল? আমরা কেন হাসির পাত্র হলাম, এটাই আমার দুঃখ।

বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন প্রত্যাহারের বিষয়ে গোবিন্দের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে শশী সিনহা বলেন, না, এই মুহূর্তে গোবিন্দা স্যারের কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। এটি মাত্র কয়েক মিনিট আগের ঘটনা, এত দ্রুত কী প্রতিক্রিয়া দেবেন? ঈশ্বর সবাইকে সুবুদ্ধি দিন এবং সবাই যেন বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে চলেন, সেটিই ভালো। আমি গোবিন্দ স্যার, সুনীতা এবং তাদের সন্তানদের কথা চিন্তা করেই বলছি। পরিবারে যেকোনো সংশয় বা ভুল বোঝাবুঝি নিজেরা একসঙ্গে বসে আলোচনা করে দূর করা সম্ভব। সমস্যা যত বড়ই হোক না কেন, সমাধান করা অসম্ভব নয়।

উল্লেখ্য, প্রখ্যাত চিত্রতারকা গোবিন্দ এবং সুনীতা আহুজা ১৯৮৭ সালের মার্চ মাসে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে ১৯৮৮ সালে তাদের কন্যাসন্তান টিনার জন্মের আগপর্যন্ত নিজেদের বিয়ের খবরটি আড়ালেই রেখেছিলেন এই দম্পতি। পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালে তাদের ঘরে জন্ম নেয় ছেলে যশবর্ধন। দীর্ঘ প্রায় চার দশকের দাম্পত্যজীবনে একাধিক টানাপোড়েন সৃষ্টি হলেও আদালতের বাইরে গিয়ে আবারও বিচ্ছেদ আবেদন প্রত্যাহার করে নেওয়ার মাধ্যমে এই হাই-প্রোফাইল পারিবারিক বিতর্কের অবসান ঘটল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর