বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪১ অপরাহ্ন
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

অস্ত্রের মুখে গয়না লুট, কিম কার্দাশিয়ানকে দেওয়া হবে এক ইউরো ক্ষতিপূরণ

অনলাইন ডেস্ক: / ৪৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- কিম কার্দাশিয়ান।

প্যারিসের বিলাসবহুল হোটেলে অস্ত্রের মুখে গয়না লুটের প্রায় এক দশক পর সেই মামলার রায় পেলেন মার্কিন তারকা কিম কার্দাশিয়ান। ২০১৬ সালের ওই ডাকাতির ঘটনায় কিম ক্ষতিপূরণ পেলেন মাত্র ১ ইউরো। আর এমন নির্দেশ দিয়েছেন ফ্রান্সের একটি আদালত।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মামলার রায়ের বিশ্লেষণ তুলে ধরে কিমের আইনজীবী এ তথ্য জানান। তবে ক্ষতিপূরণের অর্থ পাওয়াকে মামলার মূল লক্ষ্য হিসেবে দেখেননি কিম। তার কাছে আসামিদের অপরাধ স্বীকার এবং ঘটনার জন্য জবাবদিহি করাই ছিল বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

রায়ের পর কিম কার্দাশিয়ান ও তার স্টাইলিস্ট সিমোন হারুশ যৌথ বিবৃতিতে বলেন, বিষয়টি শুধু অর্থের ছিল না; বরং ন্যায়বিচার পাওয়া এবং ঘটনার স্বীকৃতি পাওয়াটাই ছিল গুরুত্বপূর্ণ। কিম ঘটনাটিকে তার জীবনের ‘সবচেয়ে ভয়ংকর অভিজ্ঞতা’ হিসেবে উল্লেখ করে ফরাসি বিচার ব্যবস্থার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

একই মামলায় ডাকাতদের হামলার পর মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হোটেলের সাবেক এক রিসেপশনিস্টকে ১ লাখ ৯ হাজার ৫১৬ ইউরো ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি হোটেল কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হবে ৫০ হাজার ইউরো।

পুলিশের পোশাকে হোটেলে ঢুকেছিল ডাকাতরা

ঘটনাটি ঘটে ২০১৬ সালের ২ অক্টোবর। প্যারিস ফ্যাশন উইক চলাকালে পুলিশের পোশাক পরে একদল ডাকাত হোটেলে ঢুকে কিম কার্দাশিয়ানকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। পরে তাকে বেঁধে রেখে প্রায় ৬০ লাখ ডলার মূল্যের গয়না লুট করে নিয়ে যায় তারা।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত চক্রটি বয়সের কারণে ফ্রান্সে ‘দাদু ডাকাত’ নামে পরিচিতি পায়। গত বছর ওই চক্রের আট সদস্যকে এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়। সশস্ত্র ডাকাতি, অপহরণ, সংঘবদ্ধ অপরাধী দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততাসহ বিভিন্ন অভিযোগে তাদের বিচার হয়। অভিযুক্তদের মধ্যে ছয়জনের বয়স তখন ৬০ ও ৭০-এর কোঠায় ছিল।

দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর আদালতের রায়ে কিমের জন্য নির্ধারিত ১ ইউরোর ক্ষতিপূরণ তাই অর্থমূল্যের চেয়ে প্রতীকী স্বীকৃতি হিসেবেই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর