শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
পাবনা জেলার ১৯৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিক উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী পাবনা উৎসব ও উদ্যোক্তা মেলার উদ্বোধন আসিফের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, স্বামীর নিরাপত্তা নিয়ে ফেসবুক পোস্টে যা বললেন স্ত্রী ‘যুদ্ধবিরতি’র পরও গাজায় ১৪ শতাধিক ফিলিস্তিনিকে হত্যা পশ্চিম তীরের হেবরনে ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দিচ্ছে ইসরায়েল রাজশাহী রেঞ্জ পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ১৩৩ এনআইডি সংশোধনে ইসির বড় অগ্রগতি, ৬৪ লাখের বেশি আবেদন নিষ্পত্তি নানা আয়োজনে বাংলাদেশ মেইল ২৪-এর ৩য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত আত্মহত্যা ঠেকাতে অভিনব উদ্যোগ, বিশ্ববিদ্যালয় হোস্টেলে বিশেষ ফ্যান শিক্ষাক্রমে যুক্ত হচ্ছে ৪ বই, থাকছে হাতে-কলমে শেখার সুযোগ ২৪ ঘণ্টায় ডিএমপির অভিযানে গ্রেফতার ৬৮৪
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

জেসিআই বাংলাদেশের উদ্যোগে অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা / ১৫৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬


জেসিআই বাংলাদেশ-এর আয়োজনে যথাযোগ্য মর্যাদা ও গভীর শ্রদ্ধার মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। মহান ভাষা শহীদদের স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভায় ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস, তাৎপর্য এবং বর্তমান প্রজন্মের দায়িত্ব নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সন্ধ্যা ৭টায়, জেসিআই বাংলাদেশ কার্যালয়ে।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন জেসিআই বাংলাদেশের ২০২৬ ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট আরেফিন রাফি আহমেদ, ন্যাশনাল গভর্নিং বোর্ড (NGB) সদস্যবৃন্দ, লোকাল প্রেসিডেন্ট (LP) বৃন্দ, জেসিআই সিনেটরবৃন্দ এবং জেসিআই বাংলাদেশের সদস্যবৃন্দ।
আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:
ফারাহ্‌ দোলন — শিক্ষক, উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়; পিএইচডি ফেলো, তুলনামূলক সাহিত্য বিভাগ, ইউনিভার্সিটি অফ হায়দ্রাবাদ।

তিনি ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে এর প্রভাব এবং বৈশ্বিক পরিসরে মাতৃভাষার গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি বলেন, ভাষা শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এটি একটি জাতির আত্মপরিচয়, সংস্কৃতি ও ইতিহাসের ধারক।

সভায় বক্তব্য প্রদানকালে ২০২৬ ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট আরেফিন রাফি আহমেদ বলেন, “১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আমাদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। আজকের বাংলা ভাষার মর্যাদা ও স্বীকৃতির পেছনে ভাষা শহীদদের অবদান অপরিসীম। তাঁদের আত্মত্যাগ আমাদের জাতীয় চেতনাকে সমৃদ্ধ করেছে এবং মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় আমাদের অনুপ্রাণিত করে।”
বক্তারা ভাষা আন্দোলনের চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং মাতৃভাষার সঠিক চর্চা ও সংরক্ষণে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের শেষে ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও দেশের অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।
ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ আমাদের প্রেরণা, আমাদের অঙ্গীকার; বাংলা হোক চেতনার শক্তি, ঐক্যের প্রতীক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর