সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৬:৫২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

পাবনায় বিএনপির দুই গ্রুপের গোলাগুলি, পুলিশসহ আহত ৩০

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ১০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬

পাবনার ঈশ্বরদীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, গোলাগুলি, ভাঙচুর ও মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে ঈশ্বরদী শহরের রেলগেট, পোস্ট অফিস মোড়সহ আশপাশের এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব এবং ঈশ্বরদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্যসচিব মেহেদী হাসানের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। সকালে উভয় পক্ষ পাল্টাপাল্টি অভিযোগ এনে পৃথক সংবাদ সম্মেলন করে। পরে দুই পক্ষ শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করলে একপর্যায়ে মুখোমুখি অবস্থান নেয় এবং সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষ চলাকালে ইটপাটকেল নিক্ষেপের পাশাপাশি কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষণের ঘটনাও ঘটে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ চেষ্টা চালালেও একসময় তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।


পরে অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন। সংঘর্ষের পর শহরজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।


সংঘর্ষে পুলিশ সদস্যসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয় এবং তার সমর্থকদের অন্তত ৩০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। কয়েকটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়া হলে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।


ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। উভয় পক্ষের ছোড়া ইটপাটকেলের আঘাতে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এলাকায় অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।


এ বিষয়ে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষ গ্রুপের লোকজন অস্ত্র নিয়ে হামলা ও গুলিবর্ষণ করেছে এবং দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তিনি।


তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মেহেদী হাসানের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তার ভাই ও জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টুর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর