বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:৩৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
জুনের ১৬ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠালেন ১৭২ কোটি ৯০ লাখ ডলার যারা ‘সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না’ বলছে তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকুন: প্রধানমন্ত্রী সকল সেক্টরে নারীর অংশগ্রহণ আগের চেয়ে বেড়েছে : স্পিকার পাগলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে প্রায় ১ কোটি ৪৮ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ তেজগাঁও বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় অপরাধ দমনে অভিযান,গ্রেফতার ৪৬ কব্জি কাটা গ্রুপের ‘গুরু’ এক্সেল বাবুসহ ৬ জন গ্রেফতার: র‍্যাব নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ সিরাজগঞ্জ জেলা কমিটির উদ্যোগে ঝটিকা মিছিল ‎ কাজিপুরে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমে শিক্ষক প্রশিক্ষণ শুরু  কামারখন্দে ছাত্রসমাজের ঐক্য ও সৌহার্দ্য বাড়াতে আলোচনা সভা ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জে অর্থনৈতিক শুমারির ন্যাশনাল রিপোর্ট বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

আসছে ‘ফুয়েল কার্ড’, পাবেন যেসব সুবিধা

অনলাইন ডেস্ক: / ৫৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬
Ai ফটো

রাজধানীর অধিকাংশ এলাকায় পেট্রোলপাম্পে জ্বালানির সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক পাম্পে তেল নেই, আর যেখানে আছে, সেখানে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার সব ধরনের যানবাহনের জন্য ‘ফুয়েল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা করছে। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে জ্বালানি বিভাগ কাজ শুরু করেছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত দ্রুত শেষ না হলে বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর দেশকে বড় ধরনের চাপের মুখে পড়তে হবে। বিশ্ববাজারে সরবরাহ কমে গেলে তেলের দাম বেড়ে যাবে, কিন্তু দেশীয় বাজারে তা সমন্বয় করা কঠিন হয়ে পড়বে।

এ কারণে জ্বালানির অপচয় ও অবৈধ মজুত ঠেকাতে ফুয়েল কার্ড চালু করা জরুরি হয়ে উঠেছে। এই কার্ডের মাধ্যমে মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত গাড়ি, ট্রাক বা বাস—সব ধরনের যানবাহন নির্ধারিত চাহিদা অনুযায়ী তেল নিতে পারবে। প্রতিটি কার্ডে একটি কিউআর কোড থাকবে, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট পাম্প থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করা যাবে। তবে পুরো ব্যবস্থা চালু হতে কিছুটা সময় লাগবে।

ফুয়েল কার্ড কী?

ফুয়েল কার্ড বা ফ্লিট কার্ড হলো এমন একটি বিশেষ পেমেন্ট কার্ড, যা পেট্রোল, ডিজেলসহ বিভিন্ন জ্বালানি কেনার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি অনেকটা ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের মতো কাজ করে এবং নগদ অর্থ ছাড়াই লেনদেনের সুযোগ দেয়।

মূল বৈশিষ্ট্য ও সুবিধা:

*সহজ পেমেন্ট ও ট্র্যাকিং: চালকরা সহজে পেমেন্ট করতে পারেন এবং প্রতিটি লেনদেনের হিসাব সংরক্ষণ করা যায়।
*খরচ নিয়ন্ত্রণ: নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করে জ্বালানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
*ডিজিটাল রিপোর্টিং: জ্বালানি ব্যবহারের বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়, যা ব্যবস্থাপনায় সহায়ক।
*নিরাপত্তা: কার্ড নির্দিষ্ট যানবাহন বা চালকের সঙ্গে যুক্ত থাকায় অপব্যবহারের ঝুঁকি কমে।
*সময় সাশ্রয়: কাগজের রসিদের ঝামেলা কমে এবং একত্রে বিল ব্যবস্থাপনা সহজ হয়।

 

এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও নিয়ন্ত্রণ বাড়বে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর