সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ভ্রাম্যমান আদালতে জব্দকৃত ৩৭৬ লিটার পেট্রোল গায়েব করেননি ইউএনও। তেল বিক্রির টাকা রবিবার ব্যাংকের মাধ্যমে জমা দেিয়ছেন সরকারী কোষাগারে। গত শুক্রবার বিকেলে উপজেলার বিনসাড়া বাজারের মের্সাস মোল্লা এন্টারপ্রাইজে অবৈধ ভাবে পেট্রোল মজুদ রাখার দায়ে অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত জাহান। এ সময় তিনি অবৈধ ভাবে মজুদ রাখা আনুমানিক ৩৯৫ লিটার পেট্রোল জব্দ করেন। পাশাপাশি ওই দোকান মালিক শাহ আলমকে ১০ হাজার টাকাও জড়িমানা করা হয়। 
পরে ওই তেল স্থানীয় চাহিদার প্রেক্ষিতে উপজেলার খালকুলা নর্থ বেঙ্গল সমবায় ফিলিং স্টেশনে নিয়ে গিয়ে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ১১৬ টাকা লিটার দরে প্রত্যেক মোটর বাইক মালিকে নিকট ১ লিটার করে বিক্রি করা হয়। তাতে ৩৭৬ লিটার পেট্রোল পাওয়া যায় এবং বিক্রি করে সর্ব মোট ৪৩ হাজার ৬১৬ টাকা গচ্ছিত হয়। সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় উক্ত টাকা রবিবার সকালে ব্যাংকের মাধ্যমে সরকারী কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী জাহিদুল ইসলাম জানান, দু’টি ড্রামে জব্দকৃত পেট্রোল ফিলিং স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। বিক্রির পর খালি ড্রাম দু’টি ফেরৎ এনে মালিক পক্ষকে দেয়া হয়। তেল গুলো ফেরৎ এনে জব্দকারী কর্তৃপক্ষ গায়েব করছেন এমন ধারণা আদৌ সঠিক নয়।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত জাহান বলেন, আমরা সকল বিধি বিধান মেনে তেল জব্দের ওই কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। বিক্রি করা তেলের টাকা সাপ্তাহিক ছুটি শেষ হওয়া মাত্রই রবিবার সকালে ব্যাংকের মাধ্যমে সরকারী কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে। এটি নিয়ে ভূল বোঝা-বুঝির কিছু নেই। অতি উৎসাহী কতিপয় ব্যক্তি ভূল তথ্য জেনে কিছু লিখে থাকলে বা প্রচার-প্রচারণা করে থাকলে সে দায়ভার তাদের। তিনি আরো বলেন, তেলের সংকট মূহূর্তে সরকারের নির্দেশনা মেনে মজুদদারদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যহত থাকবে।