সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:০৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
দায়িত্বনিষ্ঠা ও প্রস্তুতির আহ্বান: পুলিশ সুপার শাহ্ মো. আব্দুর রউফ শীতার্তদের পাশে বিজিবি: ঢাকায় ৮০০ অসহায় মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ টেলিগ্রামে বিনিয়োগের প্রলোভনে কোটি টাকা আত্মসাৎ, গ্রেফতার ১ পুলিশের পেছনে জনগণ থাকলেই আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত: পুলিশ সুপার ড.এস এম ফরহাদ হোসেন প্রার্থিতা ফিরে পেয়ে ঢাকাস্থ কালিগঞ্জ-আশাশুনিবাসীর সঙ্গে পরিবর্তনের অঙ্গীকারে ডা. শহিদুল আলমের মতবিনিময় খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিএনপি নেতার শীতবস্ত্র বিতরণ ফরিদপুর-১ আসনে খন্দকার নাসিরের মনোনয়ন কি বাতিল হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনে আপিল করলেন শাহ মো. আবু জাফর মোসাব্বির হত্যা: গুলির আগে রেকি, হত্যাকাণ্ড ব্যবসা কেন্দ্রীক ধারণা ডিবির সিরাজগঞ্জ-১ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন নাগরিক ঐক্যের সাকিব আনোয়ার কুড়িগ্রামে সাইক গ্রুপের জব ফেয়ারে ২০০ জনের চাকুরি লাভ
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

শেরপুরে ধান ব্যবসায়ীকে স্বাসরোধ ও পিটিয়ে হত্যা: ধানক্ষেত থেকে লাশ উদ্ধার

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি: / ১০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬


বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় ধান ব্যবসায়ী আব্দুল হামিদ মন্ডলকে (৩৮) স্বাসরোধ ও পিটিয়ে হত্যা করে ধানক্ষেতে ফেলে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার সকালে ভবানীপুর ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের রাস্তার পাশের একটি ধানক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত হামিদুল মন্ডল ওই গ্রামের মোন্তাজ মন্ডলের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ধানের ব্যবসা করে আসছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকাল ৭টার দিকে কৃষকরা মাঠে কাজ করতে যাওয়ার সময় রাস্তার ধারে ধানক্ষেতের ভেতরে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে নিহতের স্বজনরা এসে হামিদুল মন্ডলের মরদেহ শনাক্ত করেন। নিহতের গলা, নাক এবং ঘাড়ের এক পাশে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

নিহতের বড় ভাই গোলাম মোস্তফা জানান, হামিদুল একজন পেশাদার ধান ব্যবসায়ী ছিলেন। ব্যবসায়িক লেনদেনের জন্য তার কাছে নগদ টাকা থাকার কথা। ধারণা করা হচ্ছে, টাকা লুট করার উদ্দেশ্যেই তাকে হত্যা করে নির্জন স্থানে ফেলে রেখে গেছে দুষ্কৃতকারীরা।
নিহত হামিদুলের স্ত্রী রাফিয়া বেগম কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, গতকাল বিকেলে আমার সাথে শেষ কথা হয়েছিল। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। সারারাত মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। আজ সকালে তার লাশ মিলল।
এদিকে নিহতের ৮ বছরের মেয়ে মিমি বলেন, বাবা গত কয়েকদিন ধরে বলছিলেন আমার কেমন জানি লাগছে, আমি বোধহয় আর বেশিদিন বাঁচব না। বাবার এমন আশঙ্কার কথা এখন পরিবারটিকে আরও বিমর্ষ করে তুলেছে।


এ বিষয়ে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইব্রাহিম আলী বলেন, মরদেহের শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখে এটি ধারনা করা যাচ্ছে যে এটি একটি হত্যাকাণ্ড। আমরা ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর