রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে নেওয়া প্রকল্পগুলোর অনিয়ম-দুর্নীতি তদন্তের সুপারিশ জনগণের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী নেত্রকোনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই শিশুর মৃত্যু খুলনার সেই সাইফুলকে দেখতে হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. বিটু কন্যাশিশুর শিক্ষা-নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ঘিরে সমর্থকদের ভোটের লড়াই, চলছে ‘ফ্যান কাপ ভোটিং ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যাংকগুলোকে বিশেষ নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের তেজগাঁও বিভাগে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে ২৪ ঘণ্টার ৬০ আসামি গ্রেফতার রিয়াদে হুতিদের হামলা: বিমানের স্থগিত ফ্লাইটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত সোমবার কাজিপুরে কমিউনিটি ক্লিনিকের নবনির্মিত ভবনের  উদ্বোধন
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

শেরপুরে ধান ব্যবসায়ীকে স্বাসরোধ ও পিটিয়ে হত্যা: ধানক্ষেত থেকে লাশ উদ্ধার

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি: / ১৩১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬


বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় ধান ব্যবসায়ী আব্দুল হামিদ মন্ডলকে (৩৮) স্বাসরোধ ও পিটিয়ে হত্যা করে ধানক্ষেতে ফেলে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার সকালে ভবানীপুর ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের রাস্তার পাশের একটি ধানক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত হামিদুল মন্ডল ওই গ্রামের মোন্তাজ মন্ডলের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ধানের ব্যবসা করে আসছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকাল ৭টার দিকে কৃষকরা মাঠে কাজ করতে যাওয়ার সময় রাস্তার ধারে ধানক্ষেতের ভেতরে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে নিহতের স্বজনরা এসে হামিদুল মন্ডলের মরদেহ শনাক্ত করেন। নিহতের গলা, নাক এবং ঘাড়ের এক পাশে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

নিহতের বড় ভাই গোলাম মোস্তফা জানান, হামিদুল একজন পেশাদার ধান ব্যবসায়ী ছিলেন। ব্যবসায়িক লেনদেনের জন্য তার কাছে নগদ টাকা থাকার কথা। ধারণা করা হচ্ছে, টাকা লুট করার উদ্দেশ্যেই তাকে হত্যা করে নির্জন স্থানে ফেলে রেখে গেছে দুষ্কৃতকারীরা।
নিহত হামিদুলের স্ত্রী রাফিয়া বেগম কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, গতকাল বিকেলে আমার সাথে শেষ কথা হয়েছিল। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। সারারাত মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। আজ সকালে তার লাশ মিলল।
এদিকে নিহতের ৮ বছরের মেয়ে মিমি বলেন, বাবা গত কয়েকদিন ধরে বলছিলেন আমার কেমন জানি লাগছে, আমি বোধহয় আর বেশিদিন বাঁচব না। বাবার এমন আশঙ্কার কথা এখন পরিবারটিকে আরও বিমর্ষ করে তুলেছে।


এ বিষয়ে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইব্রাহিম আলী বলেন, মরদেহের শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখে এটি ধারনা করা যাচ্ছে যে এটি একটি হত্যাকাণ্ড। আমরা ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর