বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, শেখ হাসিনা আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বিনাদোষে জেলে পুড়ে চিকিৎসা না দিয়ে তাকে হত্যা করেছে। বেগম খালেদা জিয়ার জীবনের বিনিময়ে বাংলাদেশ গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছে এবং ভোটের সুযোগ হয়েছে। শুধু তাই নয় ভোটের জন্য হাজার হাজার নেতাকর্মী রক্ত ও নির্যাতনের স্বীকার হতে হয়েছে। তাই এই ভোট আপনাদের জন্য ও বাংলাদেশের জন্য অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষার ভোট। এই ভোটে আপনারা যদি ভুল করেন তবে গণতন্ত্র ধ্বংস হয়ে যাবে। তাই প্রত্যেক নারী-পুরুষ, যুবক-তরুনী- ছাত্র-ছাত্রী, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতন্ত্র ও ইসলামিক মুল্যবোধ রক্ষায় ধানের শীষে ভোট দিবেন। বুধবার দুপুর থেকে বিকেলে পর্যন্ত কামারখন্দ উপজেলার নান্দিনা মধু, কর্নসুতী, দশশিকা, ধোপাকান্দি, হালুয়াকান্দি, আলোকদিয়া, টেংরাইল ও চরকুড়া এলাকায় নির্বাচনী বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি দৃঢ়ভাবে জামায়াতকে মোনাফেক উল্লেখ করে বলেন, কোরআনে রয়েছে, তোমরা ধর্ম বিনিময় করো না। ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করো না। তাহলে মুসলমান মুসলমানে দ্বন্ধ হবে। কিন্তু জামায়াতে ইসলামী কোরআনের এই নির্দেশ অমান্য করে মোনাফেকী কাজ করছে।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশকে বিশ্বাস করে না। ১৯৭১ সালে লক্ষ লক্ষ মা-বোনকে পাকিস্তানীদের হাতে তুলে দিয়ে তাদের ইজ্জত নষ্ট করেছে। আজ আবারও জামায়াতের আমির আমাদের মা-বোনদের নিয়ে বাজে মন্তব্য করেন। মা-বোনদের পতিতা বলেছে। আজ তারাই ভোট চাচ্ছে? এটা দেশের জন্য লজ্জাজনক। তারা কখনো মা-বোনদের ঘর থেকে বের হতে দিবে না। তারা মান বোনদের সম্মান করে না।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের অধিকাংশ নামকরা আলেম উক্তি করে বলেছে জামায়াতে ইসলাম কোন ইসলামী দল না। মওলানা ভাসানী বলেছিলেন নীল নদের পানি যেমন নীল না, তেমনি জামায়াতে ইসলামীর ইসলাম কোন ইসলাম না। তাই সকলকে জামায়াতকে নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
গনসংযোগকালে কামারখন্দ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ফৌরদৌস রহমান, সাবেক সাধারন সম্পাদক উত্থান সেখ, জেলা জজকোর্টের পিপি এ্যাড. রফিকুল ইসলাম ও জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল কায়েসসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।