বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সিরাজগঞ্জ -৪ আসনের দাঁড়িপাল্লার কান্ডারী মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, জুলাই বিপ্লব হয়েছে একটি বৈষম্যহীন রাস্ট্র প্রতিষ্ঠা করার জন্য। সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের উদ্দেশ্যে। ১২ই ফেব্রুয়ারিতে জণগণ নির্ধারণ করবে দেশ চাঁদাবাজদের হাতে যাবে নাকি সৎ মানুষ পরিচালনা করবে। জুলাই বিপ্লবের পর একটি দল চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, বালু মহল দখল, পাথর লুটপাট সহ হত্যার রাজনীতিতে মেতে উঠেছে। এতে জনগণ অতিষ্ঠ হয়ে পরছে। ব্যালটের মাধ্যমে এর জবাব দেয়ার জন্য অপেক্ষায় আছে জনগণ।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারী) মোহনপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আয়োজিত নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, গত দেড় বছরে একটি দলের অন্ত কোন্দলে প্রায় দু শতাধিক মানুষ হত্যা করেছে। যে দল নিজের দলের কর্মীদের হত্যা করতে দ্বিধা করে না, তাদের কাছে দেশের মানুষ নিরাপদ নয়। দেশের ভূখণ্ড নিরাপদ নয়। জনগণ এবার চাঁদাবাজদের ভোট দিবে না। জনগণ চায় দূর্নীতি মুক্ত, চাঁদাবাজ মুক্ত, সন্ত্রাস মুক্ত আধুনিক মানবিক উন্নত বাংলাদেশ। সমৃদ্ধ শান্তির বাংলাদেশ গড়তে এবার সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। দাঁড়িপাল্লার পক্ষে গণজোয়ার তৈরি হয়েছে । দলমত, ধর্ম, বর্ণ জাতি নির্বিশেষে সবাই দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিবে।
তিনি বলেন, উল্লাপাড়ার জনগণের সেবা করার সুযোগ পেলে, উল্লাপাড়া উপজেলা হবে একটি মডেল উপজেলা। এ এলাকা কৃষি সমৃদ্ধ। কৃষিতে আরো আধুনিক প্রযুক্তি যোগ হবে। কৃষি পণ্য যেন সহজিকরণ হয় সেই ব্যবস্থা করবো। রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হবে মানুষ শান্তিতে চলাচল করবে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রত্যান্ত অঞ্চলে পুলিশ ফাঁড়ি ব্যবস্থা করা হবে।
মোহনপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি হাফেজ হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, উল্লাপাড়া উপজেলা জামায়াতের আমীর ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক শাহজাহান আলি, ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক নুর মোহাম্মদ মন্ডল, উপজেলা জামায়াতের দপ্তর সম্পাদক আব্দুল বারী, উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি আতাউর রহমান, উপজেলা জামায়াতের প্রচার সম্পাদক আশরাফুল আলম মুত্তালিব, সলপ ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা ফজলুল হক প্রমুখ।
বিকেলে একই অনুষ্ঠানে আয়োজন করে উধুনিয়া ইউনিয়ন জামায়াত। ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি আব্দুল আলীমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। প্রায় অর্ধ শতাধিক বিএনপির নেতাকর্মী জামায়াতে যোগদান করেছে।