প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে উলভারহ্যাম্পটনের বিপক্ষে ৩-১ গোলে জিতেছে চেলসি। ক্যারিয়ারে প্রথম হ্যাটট্রিক করেছেন কোল পালমার। ইংলিশ এই মিডফিল্ডারের তিনটি গোলই আসে প্রথমার্ধে। উলভারহ্যাম্পটনকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের পাঁচে উঠে এসেছে চেলসি।
২৫ ম্যাচে ৪৩ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচ নম্বরে লিয়াম রসেনিওরের দল। বিপরীতে মৌসুমের ১৯তম হারে ৮ পয়েন্ট নিয়ে তলানিতেই আছে উলভারহ্যাম্পটন। উলভারহ্যাম্পটনের বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল চেলসির হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে পালমারের ‘সেঞ্চুরি’র ম্যাচ। শততম ম্যাচের এই মাইলফলক কি দারুণভাবেই না রাঙালেন ২৩ বছর বয়সী মিডফিল্ডার।
পালমারের প্রথম গোলটি আসে ১৩ মিনিটে পেনাল্টি থেকে। জোয়াও পেদ্রোকে উলভারহ্যাম্পটনের ডিফেন্ডার ম্যাট ডোহার্টি ফেলে দিলে পেনাল্টির বাঁশি বাজায় রেফারি। তারপর স্পট কিক থেকে জালের নিচের ডান কোনে বল জালে পাঠান পালমার।
১০ মিনিট পর আবারও পেনাল্টি পেয়ে যায় চেলসি। এবার নিজেই ফাউলের শিকার হন পালমার। এবারও লক্ষ্যভেদ করতে ভুল করলেন না ইংলিশ মিডফিল্ডার। তিন মিনিট পর হ্যাটট্রিক করে ষোলো কলা পূর্ণ করেন তিনি। মার্ক কুকুরেয়ার বাড়ানো বল থেকে ব্যবধান ৩-০ করেন পালমার।
তারপর দ্বিতীয়ার্ধে উলভারহ্যাম্পটনের নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড তলু আরোকোদারে একটি গোল শোধ করেন। তবে শেষ পর্যন্ত ব্যবধান ৩-১ রেখেই পুরো তিন পয়েন্ট নিয়ে ঘরে ফিরে চেলসি। রসেনিওর ডাগ-আউটের দায়িত্ব নেওয়ার পর লিগে টানা চার ম্যাচে জয় পেল চেলসি। ব্লুজদের ইতিহাসে দ্বিতীয় ইংলিশ কোচ হিসেবে এই কীর্তিতে নাম লেখালেন ৪১ বছর বয়সী এই কোচ।
এমিরেটস স্টেডিয়ামে বল দখলে আর্সেনালের সঙ্গে সমানতালেই লড়েছে সান্ডারল্যান্ড। তবে গোল করার আসল কাজটাই করতে পারেনি তারা। ৫০ শতাংশ বল দখলে রেখে ১৬টি শট নিয়ে পাঁচটি লক্ষ্যে রাখে আর্সেনাল। যেখানে পাঁচটি শট নেওয়া সফরকারীরা লক্ষ্যে রাখে তিনটি।
প্রথমার্ধে মার্টিন জুবিমেন্দির দুর্দান্ত গোলই বিরতির সময় পার্থক্য গড়ে দেয়। বক্সের ঠিক বাইরে লিয়ান্দ্রো ত্রোসার্ডের পাস পেয়ে জোরালো শট নেন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার। বলটি বাঁ দিকের পোস্টে লেগে দিক বদলে জালে জড়িয়ে যায়।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে সান্ডারল্যান্ডই বেশি আক্রমণাত্মক ছিল। বিরতির পাঁচ মিনিটের মধ্যেই তালবি শট নিয়ে আর্সেনালের গোলকিপার ডেভিড রায়াকে পরীক্ষা নেন। ছন্দটা ঠিক খুঁজে পাচ্ছিল না আর্সেনাল। তবে মিকেল আর্তেতার আরেক অস্ত্র মাঠে নামাতেই বদলে যায় দৃশ্যপট। ৬০ মিনিটে গ্যাব্রিয়েল জেসুসের বদলি নামা গিওকেরেস মাঠে নামার ছয় মিনিট পরই বল জালে পাঠান। কাই হাভার্টজের পাস থেকে ব্যবধান ২-০ করেন সুইডিশ ফরোয়ার্ড। নির্ধারিত সময়ের পর যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে জোড়া গোল পূর্ণ করেন তিনি।