বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
মধুখালীতে সাবেক কাউন্সিলর কামরুজ্জামান বাবু গ্রেপ্তার জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে রাজশাহীতে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা, উন্নয়ন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রী জুলাই আন্দোলনের ফসল ঘরে ঘরে পৌঁছে দিচ্ছেন: খন্দকার মারুফ জাতীয় ঐক্য বিনষ্ট করতে একটি বিশেষ গোষ্ঠী তৎপর: প্রিন্স গভীর সাগরে জলদস্যুর হামলা, আহত ১২ জেলে; মাছ-জাল লুটের অভিযোগ দুর্ঘটনাই আশীর্বাদ! চাঁদে স্পেসএক্সের রকেটের আঘাতে নতুন গবেষণার সুযোগ হরমুজ সংকটে বদলে যাচ্ছে বৈশ্বিক এলএনজি বাজারের সমীকরণ হরমুজ খোলা নিয়ে ধোঁয়াশা, এশিয়ায় সামান্য বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম আগামী ৫ দিন বৃষ্টির আভাস প্রীতি জিনতার সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন ব্রেট লি
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

রাসিক মেয়র হিসেবে রবিউল আলম মিলুকে দেখতে চায় দলের নেতা-কর্মীরা

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: / ১৫৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার ষষ্টিতলা এলাকার বাসিদা ও (রাসিক) ১৩ নং ওয়ার্ডের তিন বারের সফল কাউন্সিলর বিএনপি নেতা মোঃ রবিউল আলম মিলুকে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) মেয়র পদে দেখতে চায় দলের নেতা-কর্মীরা।
গত ২২জুলাই নগরীর বোয়ালিয়া থানা পুলিশ তাকে আটক করে এবং ৭ আগস্ট ২০২৪ সালে জামিনে মুক্তি লাভ করেন তিনি। তবে পুলিশ বিনা অপরাধে গ্রেফতার করে এবং শারীরিক নির্যাতন চালায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পুলিশ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে রাখা অভিযোগে বলা হয়েছে, গ্রেফতারের সময় তাকে জামা-কাপড় পরিধান করতে দেয়া হয়নি, যা স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে বিরল ও লজ্জাস্বরূপ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। গ্রেফতারের পর রবিউল আলম মিলুকে একাধীক মামলা দিয়ে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

রাজনীতির কোন্দলে জড়িয়ে তিনি দীর্ঘদিন কারাবাস করেছেন; তাঁর বিরুদ্ধে ১২টি রাজনৈতিক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।

তবে রাজশাহী মহানগরীর রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে রবিউল আলম মিলুর পরিচিতি ব্যাপক। ২০০৫ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বোয়ালিয়া থানা যুবদলের সভাপতি এবং ২০১৫ ও ২০২৪ সাল পর্যন্ত বোয়ালিয়া থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ২০০১ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিনবার ধারাবাহিকভাবে রাসিক (১৩ নং) ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। অর্থাৎ একটানা ১৭ বছর সফল কাউন্সিলরর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

১৯৯০ সালে ছাত্র ও যুবদলের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে তিনি সার্বিক অধ্যায়নের একজন লড়াকু নেতা ছিলেন। রাজপথে থেকে স্বৈরাচার পতনের আন্দোলন করতে গিয়ে পুলিশি নির্যাতনের ফলে চিকিৎসার জন্য রামেক হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে বলেও জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

রাজশাহীতে বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের তরুণ-যুবক সমর্থকদের মধ্যে রবিউল আলম মিলুর জনপ্রিয়তা মূলধারার। স্থানীয় নেতাকর্মীরা দাবি করেছেন, তিনি সর্বদা দলের ও সাধারণ মানুষের সমস্যা শোনার সাথে সাথে সমাধানের উদ্দ্যোগ গ্রহণ করেন। সেই রাজনৈতীক জিবন শুরু থেকে আজ আবদি বিভিন্ন সামাজিক এবং খেলার কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে সমর্থন দিয়ে আসছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর