সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চল কাওয়াকোলা ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের ৬৫৪ জন নারীকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চাদপুরে ল্যাপটপের বাটন টিপার পরই কার্ডধারীদের মোবাইলে ২৫ শ করে টাকা পৌছে যায়।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পরই সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার অডিটোরিয়ামে আনুষ্ঠানিক ভাবে ফ্যামিলি কার্ড নারীদের হাতে তুলে দেন বিদ্যুৎ, খনিজ ও জ্বালানি সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। ফ্যামিলি কার্ড পেয়ে আনন্দিত হয়েছেন নারীরা। একই সঙ্গে তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্য দোয়া করেছেন।
ফ্যামিলি কার্ডধারীা মোছা. পিয়ার খাতুন, মোছা. চায়না খাতুন, মোছা. কোহিনুর খাতুন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে ঘোষনা দিয়েছিলেন তিনি নারীদের ফ্যামিলি কার্ড দিবেন। নির্বাচনের তিন মাস পার না হতেই তিনি তার কথা রেখেছেন।
তিনি আমাদের ফ্যামিলি কার্ড দিয়েছেন। ফ্যামিলি কার্ড পেয়ে অনেক উপকৃত হবো। ফ্যামিলি কার্ডের অর্থ দিয়ে ছেলে-মেয়ের লেখা পড়ার খরচ, ওষুধসহ নিত্য প্রয়োজনীয় চাহিদা পুরন করতে পারবো। ফ্যামিলি কার্ড পাওয়া আমরা অনেক খুশি। আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য দোয়া করছি। তিনি যেন ভালভাবে দেশ পরিচালনা করতে পারেন। একই সঙ্গে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও মরহুমা খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া আমরা প্রতিনিয়ত দোয়া করবো।
উদ্বোধীন অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, খনিজ ও জ্বালানী মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যা বলেন, তা করেন। নির্বাচনের আগে উনি যখন ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলেছিলেন তখন বিরোধী দলীয় নেতা বলেছিলেন রাখ তোর ফ্যামিলি কার্ড। আজকে সেই ফ্যামিলি কার্ড জনগনের দোড় গোড়ায় চলে এসেছে। আস্তে আস্তে বাংলাদেশের মানুষ ফ্যামিলি কার্ডের অধীনে আসবে। যাতে আমার মায়েরা প্রতিমাসে ২৫শ টাকা করে পাবে। এটিকে বিপ্লব উল্লেখ করে বলেন, একমাত্র তারেক রহমানের দ্বারাই এটি সম্ভব। এই বিপ্লব করেছিল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। মহিলাদের জন্য বিপ্লব করেছিল বেগম খালেদা জিয়া। এখন বিপ্লব করছেন তারেক রহমান। সকলকে একসাথে কাজ করার আহবান জানিয়ে বলেন, আমরা সবাই সমৃদ্ধশালী দেশে রূপান্তরিত করে সবাই স্বচ্ছভাবে চলতে পারি।
ফ্যামিলি কার্ড বিতরন অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খান আলিম, ভিপি আয়নুল হক, জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম, পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আজিজুর রহমান দুলাল, জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব , কাওয়াকোলা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান টি. এম. শাহাদৎ হোসেন ঠান্ডুসহ উপকারভোগী ও প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।