বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

উল্লাপাড়ায় স্ত্রীর স্বীকৃতি দাবিতে শ্বশুরবাড়িতে নববধূ, মারধরের অভিযোগ

উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি: / ১২৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬


সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় প্রেমের সম্পর্কের পর আইনগতভাবে বিয়ে হয়েছে দাবি করে স্বামীর পরিবারের কাছে স্ত্রীর স্বীকৃতি চাইতে গিয়ে মারধরের শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন এক নববধূ। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ভট্রকাওয়াক গ্রামের মো. শাহিন রেজার মেয়ে মোছা. সাম্মি খাতুনের সঙ্গে একই উপজেলার কাওয়াক দক্ষিণপাড়া গ্রামের রায়হান মোল্লার ছেলে আকাশ রহমানের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ১৪ জুন পাঁচ লাখ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে হয় বলে দাবি করেন সাম্মি খাতুন।

বিয়ের পর তারা ঢাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে কিছুদিন একসঙ্গে সংসার করেন। পরে বিষয়টি আকাশের পরিবার জানতে পারলে তারা এ বিয়ে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায়। এরপর আকাশ স্ত্রী সাম্মি খাতুনের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২৪ জুন সাম্মি খাতুন স্বামীর বাড়িতে গিয়ে স্ত্রীর অধিকার দাবি করলে আকাশের মা আসমা খাতুন তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেন। পরে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একটি সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে আকাশের পরিবার সাম্মি খাতুনকে পুত্রবধূ হিসেবে মেনে নেবে না বলে জানায়। এ সময় সাম্মি খাতুন এবং তার বাবা-মাকে মারধর ও অপমান করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা।

পরদিন শুক্রবার পুনরায় স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে শ্বশুরবাড়িতে গেলে আকাশের বাবা, মা ও পরিবারের অন্য সদস্যরা তাকে মারধর করে তাড়িয়ে দেন বলে অভিযোগ করেছেন সাম্মি খাতুন।

সাম্মি খাতুন বলেন, “আকাশ রহমান আমার বৈধ স্বামী। পাঁচ লাখ টাকা দেনমোহরে আমাদের বিয়ে হয়েছে। বিয়ের বিভিন্ন প্রমাণও আমার কাছে রয়েছে। আমি আমার স্বামীর সংসার করতে চাই এবং আইনগতভাবে স্ত্রীর স্বীকৃতি চাই।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আকাশ রহমানের মা আসমা খাতুন বলেন, আমার ছেলেকে ভুল বুঝিয়ে বিয়ে করা হয়েছে। মেয়েটি সঠিকভাবে বিয়ের কোনো বৈধ কাগজপত্র বা প্রমাণ দেখাতে পারেনি। তাই আমরা বিষয়টি মেনে নিইনি।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে উভয় পক্ষের বক্তব্যের কারণে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর