সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ০২:১৭ অপরাহ্ন
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকে চিকিৎসক উপস্থিতি নিয়মিত তদারকির নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক: / ৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬

দেশের সব বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে জেলা পর্যায়ে কঠোর মনিটরিংয়ের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

একই সঙ্গে প্রতি মাসে চিকিৎসকদের ডিউটি রোস্টার সংগ্রহ, আকস্মিক পরিদর্শন এবং অনিয়ম পাওয়া গেলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখা থেকে গত বুধবার জারি করা এক নির্দেশনায় দেশের সব সিভিল সার্জনের কাছে এ নির্দেশনা পাঠানো হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, চিকিৎসাসেবার গুণগত মান বজায় রাখতে প্রতিটি বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে শয্যা সংখ্যার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক, নার্স ও পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োজিত রাখা বাধ্যতামূলক।

বিশেষ করে ৫০ শয্যার একটি হাসপাতালে প্রতি শিফটে ন্যূনতম পাঁচজন মেডিকেল অফিসার উপস্থিত থাকতে হবে।

অর্থাৎ প্রতি ১০টি শয্যার বিপরীতে অন্তত একজন মেডিকেল অফিসারের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।

এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে সিভিল সার্জনদের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে, প্রতি মাসে জেলার সব বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক থেকে চিকিৎসকদের ডিউটি রোস্টার সংগ্রহ, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে চিকিৎসকদের নাম, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি)-র নিবন্ধন নম্বর ও মোবাইল নম্বরসহ তথ্য সংগ্রহ, প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে যাচাই-বাছাই এবং আকস্মিক পরিদর্শন পরিচালনা।

এ ছাড়া কোনো হাসপাতাল বা ক্লিনিকে নির্দেশনা অনুযায়ী চিকিৎসক উপস্থিত না থাকলে কিংবা ভুয়া বা অসম্পূর্ণ তথ্য প্রদান করা হলে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, জেলা পর্যায়ের মনিটরিং কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ প্রতিবেদন প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী স্বাক্ষরিত এ নির্দেশনা দেশের সব সিভিল সার্জনের কাছে পাঠানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে নিবন্ধিত চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত হলে রোগীরা আরও নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পাবেন।

একই সঙ্গে কাগজে-কলমে চিকিৎসক দেখিয়ে হাসপাতাল পরিচালনা বা চিকিৎসক সংকট গোপনের মতো অনিয়মও কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর