রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

জুলাই আন্দোলনের ৫৯ মামলা তদন্ত করছে ডিবি, বিশ্লেষণ চলছে ৪০ জিবি তথ্য-উপাত্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: / ৩৯ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

জুলাই আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট ৫৯টি মামলা তদন্ত করছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। এসব মামলার সঠিক ঘটনা উদঘাটনে প্রায় ৪০ জিবি তথ্য-উপাত্ত, ফরেনসিক আলামত ও সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জুলাই আন্দোলনের মামলার অগ্রগতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

শফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের ডিবিতে জুলাই আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট ৫৯টি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। প্রতিটি মামলায় আসামির সংখ্যা অনেক। তাদের অবস্থান শনাক্ত করা, কে কী ভূমিকা পালন করেছেন তা যাচাই করা এবং ফরেনসিক তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণের কাজ চলছে। প্রায় ৪০ জিবি ডাটা পর্যালোচনা করতে হচ্ছে। আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে মামলাগুলোর তদন্ত করছি।

তিনি বলেন, আইনের মধ্যে থেকে সঠিক তদন্ত সম্পন্ন করে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হবে এবং সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের লক্ষ্যে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে উপস্থাপন করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নে বলা হয়, জুলাই আন্দোলন ঘিরে একই ঘটনায় একাধিক মামলা এবং মামলা বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না—জবাবে অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, এসব মামলা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ডিএমপিতে একটি মনিটরিং সেল রয়েছে। প্রতি ১৫ দিন পরপর মামলাগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। একইভাবে পুলিশ সদরদপ্তরেও একটি মনিটরিং সেল রয়েছে, যেখানে মামলাগুলো নিয়মিত যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। কেউ যদি ভিন্ন উদ্দেশ্যে মামলা করে থাকেন, আমরা তাতে সায় দেব না। সঠিক তদন্ত শেষে শুধু প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধেই অভিযোগপত্র দেওয়া হবে।

তদন্তে কোনো চ্যালেঞ্জ রয়েছে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে শফিকুল ইসলাম বলেন, বিপুল পরিমাণ তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ, আসামির সংখ্যা বেশি হওয়া এবং একেক ঘটনায় একেক ধরনের আসামি থাকায় তদন্তে সময় লাগছে।

তিনি বলেন, সব তথ্য-প্রমাণ যাচাই-বাছাই করে যেন মামলায় প্রকৃত ঘটনা উঠে আসে, সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর