মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪১ অপরাহ্ন
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমানের মোহে বড় ঝুঁকি নিচ্ছে ভারত?

অনলাইন ডেস্ক: / ২ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬

কাগজে-কলমে নকশা চূড়ান্ত হলেও বাস্তবে এখনও কোনও পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরি করতে পারেনি ভারত। এমনকি ইঞ্জিনের অভাবে ভারতের সাড়ে চার প্রজন্মের তেজস জেটের উৎপাদনও খোঁড়াচ্ছে। কিন্তু এই পরিস্থিতির মধ্যেই সময়ের দাবি মেনে ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান প্রকল্পে নামতে চলেছে নয়াদিল্লি।

সম্প্রতি লোকসভায় জমা পড়া প্রতিরক্ষা বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির রিপোর্টে জানানো হয়েছে, ষষ্ঠ প্রজন্মের ফাইটার জেটের গবেষণা ও নির্মাণ প্রকল্পে যোগ দিতে ফরাসি সরকারের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে নরেন্দ্র মোদি প্রশাসন। ফরাসি নেতৃত্বাধীন এই কর্মসূচির নাম ‘ফিউচার কমব্যাট এয়ার সিস্টেম’ (এফসিএএস)। গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ‘ভারত-ফ্রান্স বার্ষিক প্রতিরক্ষা সংলাপে’ এই প্রকল্পে যোগদানের বিষয়ে যৌথ আলোচনা হয়, যদিও সেখানে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

মূলত, আমেরিকা ও চীনের মধ্যে চলতে থাকা প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতার যুগে ভারতীয় বায়ুসেনাকে আধুনিক রাখতে সংসদীয় কমিটি ভারতকে এই প্রকল্পে যোগ দেওয়ার সুপারিশ করেছে। বর্তমানে ভারতে পঞ্চম প্রজন্মের ‘অ্যামকা’ তৈরির কাজ চললেও তা ২০৩৫ সালের আগে হাতে পাওয়ার সম্ভাবনা কম। তত দিনে আকাশযুদ্ধের সমস্ত কৌশলই আমূল বদলে যেতে পারে।

তবে ফরাসিদের এই মেগা প্রকল্পে ভারতের যোগদানের ক্ষেত্রে কিছু বড় প্রশ্ন ও ঝুঁকি থেকে যাচ্ছে। ৩৬টি রাফাল জেট এবং পরবর্তীতে নৌ ও বিমানবাহিনীর জন্য আরও বরাত দেওয়া সত্ত্বেও ফরাসি সংস্থা দাসোঁ অ্যাভিয়েশন এখনও ভারতক রাফালের ‘সোর্স কোড’ হস্তান্তর করতে রাজি হয়নি। ফলে এতে কোনও দেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত করা যাচ্ছে না। ফলে সামরিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এফসিএএস কর্মসূচিতে কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করার আগে ফ্রান্সের সমস্ত শর্ত, বিশেষ করে প্রযুক্তি হস্তান্তরের বিষয়গুলি স্পষ্টভাবে বুঝে নেওয়া প্রয়োজন।

অন্যদিকে, জার্মানি এই প্রকল্প থেকে সরে আসায় এবং অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন থাকায় প্যারিসও ভারতের মতো বড় অংশীদারকে পাশে পেতে চাইবে। তাছাড়া ভারতের সামনে বিকল্প হিসেবে ব্রিটেন, ইতালি ও জাপানের ‘জিক্যাপ’ প্রকল্পে যোগ দেওয়ার পথও খোলা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁর মধুর সম্পর্ক এই ক্ষেত্রে বড় অনুঘটক হতে পারে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর