রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
ঢামেক হাসপাতালে দালাল আটক, চিকিৎসা সামগ্রী উদ্ধার ছিনতাইয়ের প্রস্তুতিকালে চার ছিনতাইকারী গ্রেফতার ৪৮ গ্রাহকের সোয়া কোটি টাকা আত্মসাতের রহস্য উদ্ঘাটন ডিআইজির সিরাজগঞ্জ সফর: কমিউনিটি পুলিশিং সভা ও সদর থানা পরিদর্শন সলঙ্গায় ৩ প্রতিষ্ঠানকে ৮৫ হাজার টাকা জরিমানা শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা ৭৫ লাখ টাকার স্বর্ণালংকারসহ কক্সবাজারে দুজন আটক মিরপুরে বিভাগে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে গ্রেফতার ১১২ গুলশানে ডিবির বিশেষ অভিযানে ২২ আসামি গ্রেফতার বাড়ির ছাদে:ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় চারজনকে খুন, হত্যার পর ওই বাসায় ইয়াবা সেবন ও গোসল করে খুনিরা রাগ থেকেই রোজগারের পথ: হাঁস পালন করে মাসে আয় ৩ লাখ টাকা
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

ঢামেক হাসপাতালে দালাল আটক, চিকিৎসা সামগ্রী উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: / ১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে রোগীদের প্রলোভন দেখিয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়া এবং অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে পরীক্ষা করানোর অভিযোগে সুধাংশু মন্ডল (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। পরে তাকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

রবিবার (২৩ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে ঢাকা মহানগর আনসার (ডিএমএ) দক্ষিণ জোন রমনা থানাধীন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুরাতন ভবনের ১০৭ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, ওয়ার্ডে দায়িত্ব পালনকালে আনসার সদস্য মো. মনির হোসেন ওই ব্যক্তির সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড লক্ষ্য করেন। তিনি ভর্তি রোগীদের উন্নত চিকিৎসার কথা বলে হাসপাতালের বাইরের বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রোগীদের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করছিলেন। বিষয়টি জানতে চাইলে সুধাংশু মন্ডল বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে তার প্রভাব ও যোগাযোগের কথা উল্লেখ করে আনসার সদস্যের ওপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। পরে তাকে ওয়ার্ড থেকে বের করে দেওয়া হলে তিনি আনসার সদস্যকে মারধরের হুমকি দেন। বিষয়টি টহলরত আনসার সদস্য মো. কাশেম মিয়া ও মো. আল আমিনকে জানানো হলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করেন এবং হাসপাতাল প্রশাসনের কাছে নিয়ে যান।

আরও জানা যায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অধিক অর্থের বিনিময়ে রোগীদের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে হাসপাতালের বাইরের ক্লিনিকে পরীক্ষা করানোর কথা স্বীকার করেন। এ সময় তার কাছ থেকে ৫০টি ব্লাড সংগ্রহের টিউব, ১২টি ইউরিন পট, ৭টি ইউরিন সিএস, ২১টি সিরিঞ্জ ও ৫টি বাটারফ্লাই উদ্ধার করা হয়। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী তাকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

রোগীদের হয়রানি, প্রতারণা, রোগী ভাগিয়ে নেওয়া ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের মতো অনৈতিক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে হাসপাতালগুলোতে দায়িত্ব পালনরত আনসার সদস্যরা সতর্কতার সঙ্গে কাজ করছেন।

সেবাগ্রহীতাদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে এ ধরনের দালালবিরোধী কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর