বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
এসআরবি: মাদক সিন্ডিকেট নিয়ে সংবাদ প্রকাশের ক্ষোভে সাংবাদিকের বাসায় গুলি স্থানীয় সরকার নির্বাচন:সারাদেশে ৩৮ হাজার ৮৪৭ জন পুলিশের নির্বাচনী প্রশিক্ষণ শুরু নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ উদ্বোধন মক্কা-মদিনার নিরাপত্তাকে রাজনৈতিক বিরোধ ও সংঘাতের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে : মুফতি রেজাউল করীম মক্কায় ড্রোন হামলার অভিযোগ অস্বীকার করল হুথি কৃষি এগিয়ে গেলে দেশ এগিয়ে যাবে: কৃষিমন্ত্রী শখের কবুতর বিক্রি করে অসুস্থ শিক্ষার্থী পাশে তিতুমীরের হামিদ বন্ধুকে ঘুরতে নিয়ে হত্যা, লাশ ৬ টুকরা; কারাগার থেকে পালানো সোহেল গ্রেফতার তেজগাঁও বিভাগে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে ২৪ ঘণ্টার ৮৭ আসামি গ্রেফতার সিরাজগঞ্জে গরু চুরি বাড়ছে- তিন রাতে ২০ গরু চুরি
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

বন্ধুকে ঘুরতে নিয়ে হত্যা, লাশ ৬ টুকরা; কারাগার থেকে পালানো সোহেল গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: / ৫১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে জহির (২০) হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা (৩৮)কে গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। বাহিনীটি বলছে, সোহেল তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু জহিরকে ঘুরতে নিয়ে গিয়ে হত্যার পর মরদেহ ছয় টুকরা করে নদীতে ফেলে দিয়েছিলেন।

সোহেল রানা ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার ভেঙে পালিয়ে যান। কারাগার থেকে পালানোর পর তিনি দেশের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানিয়েছে এসআরবি।

গতকাল মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মানিকগঞ্জের সিংগাইর থানার আজিমপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সোহেলকে গ্রেফতার করা হয়।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এসআরবি-৪-এর মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বাহিনীটির পদাতিক অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান।

লে. কর্নেল হাফিজুর রহমান বলেন, সোহেল রানা ও জহির একই এলাকার প্রতিবেশী ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। জহিরের সঙ্গে স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী মো. সুলতানের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। একপর্যায়ে সুলতান সোহেলসহ কয়েকজনের মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে জহিরকে হেমায়েতপুরে ঘুরতে নিয়ে যান।

এসআরবির ভাষ্য, বাড়ি ফেরার সময় জহিরকে হত্যা করা হয়। পরে তাঁর মরদেহ গুম করার জন্য ছয় টুকরা করে পার্শ্ববর্তী নদীর বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় জহিরের বাবা বাদী হয়ে সিংগাইর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে সোহেলসহ আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ২০১৯ সালে আদালত সোহেলকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পরে তাঁকে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়।

কারাগার ভেঙে পালান

এসআরবি জানায়, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ সময় কারারক্ষীদের আহত করে সোহেল রানা কারাগার থেকে পালিয়ে যান। পরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে থেকে তিনি বসবাস করছিলেন বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।

লে. কর্নেল হাফিজুর রহমান বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসআরবি-৪-এর একটি দল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিংগাইরের আজিমপুর এলাকায় অভিযান চালায়। সেখান থেকেই জহির হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ও কারাগার থেকে পলাতক সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার সোহেলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাঁকে সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর