সিরাজগঞ্জের গ্রামাঞ্চলে দিনদিন গবাদিপশু চুরির ঘটনা বাড়ছে। এতে কৃষকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। গত তিনরাতে রায়গঞ্জ ও তাড়াশ উপজেলায় পাঁচটি চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে ৫জন কৃষকের ২০টি গরু চুরি হয়েছে। কৃষকের চরম ক্ষতি হয়েছে। রবিবার সোমবার ও মঙ্গলবার রাতে তাড়াশ উপজেলা সদরের খুটিগাছা, বারুহাস ইউনিয়নের পেঙ্গুয়ারি ও কুসুম্বী গ্রামে এবং রায়গঞ্জ উপজেলার ধামাইনগর ইউনিয়নের বাগিচা গোয়ালপাড়া ও আদিত্যবাড়িয়া এলাকায় এসব চুরির ঘটনা ঘটে।
কৃষকরা জানায়, রবিবার রাত ২টা থেকে আড়াইটার দিকে তাড়াশ পৌর এলাকার খুটিগাছা গ্রামের হায়দার আলীর গোয়াল ঘরের তালা ভেঙে আটটি গরু চুরি করে নিয়ে যায় চোরের দল। আট গরু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন হায়দার আলী। পরদিন সোমবার) রাতে রায়গঞ্জ উপজেলার জামতৈল বাগিচা গোয়ালপাড়া এলাকায় নাকাটি বাজারের পাশে শরিফুল ইসলামের গোয়ালঘর থেকে একটি গাভী ও দুটি বকনা গরু চুরি হয়। একই রাতে উপজেলার আদিত্যবাড়িয়া এলাকার দিনমজুর তরিফুল ইসলামের গোয়ালঘর থেকে একটি ষাঁড়, একটি বকনা ও একটি গাভী চুরি করে নিয়ে যায় চোরচক্র।
মঙ্গলবার রাতে তাড়াশ উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের পেঙ্গুয়ারি গ্রামের মন্টু প্রামাণিকের গোয়ালঘরের তালা ভেঙে চারটি গরু চুরি করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। একই রাতে একই ইউনিয়নের কুসুম্বী গ্রামের দরিদ্র কৃষক সাজেদুল ইসলামের গোয়াল থেকে দুটি গরু চুরি হয়। এদিকে তিনদিনে এতোগুলো গরু চুরির ঘটনায় কৃষকদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। কৃষক ও খামারিরা প্রতিরাতই কাটাচ্ছেন গরু চুরির আতঙ্ক নিয়ে।
রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান বলেন, কৃষকের বসতবাড়ী পরিদর্শন করা হয়েছে। চোর সনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান চলছে।
তাড়াশ থানার ওসি ইমাম জাফর বলেন, চুরির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পুলিশ তদন্ত করছে। গরুগুলো উদ্ধার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত চোরচক্রের সদস্যদের শনাক্ত করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।