মেসির বাঁ পায়ের জাদুকরী ফ্রি কিকে ম্যাচে সমতায় ফিরেছিল ইন্টার মায়ামি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই গোলও দলটিকে হার থেকে বাঁচাতে পারেনি। ইনজুরি টাইমের নবম মিনিটে গোল করে মায়ামির কাছ থেকে জয় ছিনিয়ে নেয় কলাম্বাস ক্রু।
ফ্রি কিক থেকে গোল করা লিওনেল মেসির কাছে নতুন কিছু নয়। তবে রবিবার যে কোণ থেকে তিনি শটটি নিয়েছিলেন, সেখান থেকে গোল করা ছিল বেশ কঠিন। কিন্তু মেসির নিখুঁত বাঁকানো শটে বল গোলরক্ষক প্যাট্রিক শুল্টের বাড়িয়ে দেওয়া হাতের ওপর দিয়ে, ক্রসবারের নিচ দিয়ে ও পেছনের পোস্ট ঘেঁষে জালে জড়িয়ে যায়।
৩৩তম মিনিটে ডান প্রান্তরেখা থেকে প্রায় ৭ গজ দূর থেকে ফ্রি কিকটি নেন মেসি। তাঁর শটে গোল হলে ১-১ সমতায় ফেরে মায়ামি। প্রথমার্ধে সেটিই ছিল দলটির একমাত্র শট।
এর আগে ২৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে কলাম্বাস ক্রুকে এগিয়ে দেন জোসেফ মার্তিনেজ। ২৩ মিনিটে ইয়ানিক ব্রাইটের ফাউলের কারণে পেনাল্টি আদায় করেন তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধেও মেসি আরও দুটি শট নেন, যার একটি গোল হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছিল। ৬২ মিনিটে তাঁর শট ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক শুল্টে। পরে মায়ামি ভেবেছিল তারা এগিয়ে গেছে। ডেভিড আয়ালা জালে বল পাঠালেও সূক্ষ্ম অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়।
পুরো ম্যাচে অবশ্য দাপট দেখিয়েছে কলাম্বাস। তারা ১৪টি শট নেয়, বিপরীতে মায়ামির শট ছিল পাঁচটি। এর মধ্যে কলাম্বাসের সাতটি শট লক্ষ্যে ছিল, মায়ামির লক্ষ্যে ছিল তিনটি। মায়ামির গোলরক্ষক চারটি সেভ করলেও ইনজুরি টাইমের নবম মিনিটে জামাল তিয়ারের প্রচেষ্টা ঠেকাতে পারেননি।
তাতে ২-১ গোলে হেরে যায় মায়ামি। এর দুই মিনিট আগে তিন মিনিটের ব্যবধানে দুটি হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন সান্তিয়াগো মোরালেস। ফলে ম্যাচের শেষটা ১০ জন নিয়ে করতে হয় মায়ামিকে।
শেষ ১০ ম্যাচে মাত্র এক জয় পাওয়া মায়ামির এটি চলতি মৌসুমে দ্বিতীয় হার। এই হারে ২৭ ম্যাচে ৪৬ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচে নেমে গেছে দলটি। অথচ কয়েক সপ্তাহ আগেও মেজর লিগ সকারের পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থানে ছিল মায়ামি।
নিয়মিত মৌসুমের সাতটি ম্যাচ বাকি থাকতে শীর্ষে থাকা ন্যাশভিলের চেয়ে এখন ১৪ পয়েন্ট পিছিয়ে মায়ামি। অন্যদিকে কলাম্বাস প্লে-অফের লড়াইয়ে টিকে আছে। ২৯ পয়েন্ট নিয়ে তারা রয়েছে ১২তম স্থানে, প্লে-অফের জায়গা থেকে চার পয়েন্ট দূরে।