রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
সিংড়ার তাজপুরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝে উপহার বিতরণ গাছায় ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি, অভিযোগ স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের বিরুদ্ধে সিংড়ায় ছোট চৌগ্রামে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করলো প্রতিপক্ষরা উল্লাপাড়ায় সীমানার বেড়া ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলন হক গ্রুপের বিরুদ্ধে ২৯ মামলা, ডিবির অভিযান নিয়ে ডিএমপিতে অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় রাজশাহীবাসী: রাসিক প্রশাসক বাড়ির সীমানা দিয়ে দ্বন্দ্ব, ছোট চৌগ্রামে রাস্তায় কাঁটার ডাল ফেলে এক পরিবারকে অবরুদ্ধ রাখার অভিযোগ নওগাঁয় দূর্গা পূজায় কুড়াল দিয়ে ভেঙে দিল গনেশ প্রতিমা খানসামায় আমন ধানের বালাই দমনে সচেতনতামূলক সভা ও লিফলেট বিতরণ সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় ডাক্তার সোসাইটির উদ্যোগে তালবীজ বপন ও গাছ রোপণ ও বিতরণ
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

জয়পুরহাটে হলুদে বাম্পার ফলনেও হাসি নেই  চাষিদের

জলিল রানা, জয়পুরহাট প্রতিনিধি : / ১৪৯ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

জয়পুরহাটে হলুদে বাম্পার ফলনেও হাসি নেই চাষিদের। উত্তরের ‘শস্যভাণ্ডার’ খ্যাত জেলা জয়পুরহাটে চলতি রবি চাষাবাদ মৌসুমে হলুদের বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে বর্তমান বাজার পরিস্থিতির কারণে খুশির বদলে অনেকটাই চিন্তার পড়েছে হলুদ চাষিরা। গেল মৌসুমের তুলনায় প্রতি মণে ৪০০-৬০০ টাকা পর্যন্ত দাম কমে যাওয়ায় লোকসানের শঙ্কায় পড়েছেন তারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উত্তরবঙ্গের অন্যতম বড় কাঁচা হলুদের বাজার জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার জামালগঞ্জ হাট। সপ্তাহে দু’দিন (শনিবার ও মঙ্গলবার) বসা এই হাটে বর্তমানে কাঁচা হলুদের ব্যাপক আমদানি থাকলেও দাম কমের কারনে বেশ বিপাকে পড়েছেন চাষিরা।

জামালগঞ্জ হাট-এ সরেজমিন দেখা গেছে, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা পাইকাররা প্রতি হাটে ১০-৩০ ট্রাক কাঁচা হলুদ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। আর এই হলুদ ঢাকা, চট্টগ্রাম,পাবনা, দাশুড়িয়া এবং রাজবাড়ীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা শহরে সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে গেল মৌসুমের তুলনায় এবার প্রতি মণ ৪০০-৬০০ টাকা কম দামে বিক্রি হচ্ছে এই কাঁচা হলুদ। গেল মৌসুমে যে কাঁচা হলুদ প্রতি মণ ১ হাজার ৮০০-২ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়েছে, এবার সে হলুদ ১২০০-১৫০০ টাকায় চলছে বেচা-কেনা। আবার সাধারণ মানের হলুদ বেচা-কেনা চলছে ১৩০০-১৪০০ টাকায়।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে জেলায় মোট ২৮০ হেক্টর জমিতে হলুদ চাষাবাদ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৫ হাজার ২২৫ মে:টন ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

হলুদ চাষি রহমত আলী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,হাটে ৫ মণ হলুদ নিয়ে আসছি  সার, বিষ আর শ্রমিকের দাম যে হাড়ে বাড়ছে, তাতে ১৪০০ টাকায় হলুদ বিক্রি করলে লোকসান হবে। গত বছর প্রতি মণ ২ হাজার টাকা দামে বিক্রয় করা হয়েছিল, এবার দাম কম।

আরেক হলুদ চাষি আলামিন হোসেন বলেন, ১০ মণ হলুদ নিয়ে এসেছিলাম। গত বছর ১৮০০-২০০০ টাকা দর পেলেও এবার ১৩৫০-১ ৪০০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। বাজার ব্যবস্থাপনায় দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপ ও বাজার মনিটরিংয়ের দাবিও জানান এই হলুদ চাষি ।

স্থানীয় হলুদ ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম বলেন, দেশে ভারতের হলুদ আসার কারণে দেশি হলুদের বাজার কমেছে। আমাদের এখানকার হলুদের মান খুব ভালো, সারা দেশে এর চাহিদাও আছে অনেক। কিন্তু আমদানির চাপে ভালো মানের হলুদও ১৫০০ টাকার ওপরে উঠছে না।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক এ কে এম সাদিকুল ইসলাম বলেন, এ জেলার মাটি হলুদ চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। হলুদের গুণগত মান ভালো হওয়ায় বাজারে এর একটা আলাদা চাহিদাও আছে। কৃষকদের সব ধরনের কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে এবং এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ভালো ফলন হবে বলে আমরা প্রত্যশা করছি ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর