দ্বিন সম্পর্কে এবং নিজের জীবন পরিচালনার বিধান বিষয়ে থাকতে হবে গৌরববোধ। হতে হবে আত্মসচেতন। আম্বিয়া কেরাম আলাইহিমুস সাল্লাম নিজেদের অবস্থান, মানসাব ও পদমর্যাদার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন ছিলেন। আল্লাহর পক্ষ থেকে আরও পড়ুন
পৃথিবীতে মানুষের সবচেয়ে নিকটজন হলো তার পরিবারের সদস্যরা। সুখে-দুখে এবং বিপদে-আপদে তারাই পাশে থাকে। পরকালীন জীবনেও যেন তারা আপন হয়েই থাকে এবং বিপক্ষে অবস্থান না নেয়, সে জন্য পরিবার নিয়ে
জুমা শুধু একটি ছুটির দিন ভাবলে অনেক বড় ভুল হবে। বরং এটি মুসলমানদের জন্য এক বিশেষ বরকতময় দিন। এ দিনে ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের সুযোগ রয়েছে। সুতরাং, প্রত্যেক মুসলমানের
জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপেই মানুষকে মুখোমুখি হতে হয় নানা পরীক্ষা ও বিপদের। কারো কাঁধে রোগের ভার, কারো হৃদয়ে প্রিয়জন হারানোর বেদনা, কারো সংসারে অভাবের কষাঘাত; কিন্তু ইসলামের দৃষ্টিতে এসব কষ্ট কোনো
জীবনের প্রতিটি মোড়ে মানুষ হোঁচট খায়, কখনো প্রবৃত্তির টানে, কখনো অজ্ঞতার অন্ধকারে। কিন্তু যে হৃদয় ভুল স্বীকারে লজ্জিত হয়, যে চোখ আল্লাহর দরবারে কান্নায় ভিজে যায়; সেখানেই ফুটে ওঠে মানবতার
পরম করুণাময় ও দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি। এটি নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর পক্ষ থেকে জারি করা একটি লিখিত ফরমান, কুরাইশ এবং ইয়াসরিবের মুমিন ও মুসলমান এবং যারা তাদের অনুগামী হয়ে
সুরা নুরের একটি আয়াতে আল্লাহ তাআলা চার শ্রেণির মানুষকে একত্রে ফা-য়িযূন অর্থাৎ সত্যিকারের বিজয়ী বা সফল ঘোষণা করেছেন। ‘আর যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের আনুগত্য করে, আল্লাহকে ভয় করে